― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

ডেপুটি স্পীকারের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক: ই-পার্লামেন্ট গঠনে সহযোগিতার তাগিদ

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতীয় সংসদ ভবনে ডেপুটি স্পীকারের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই প্রতিবেশী দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন, সংসদীয় কূটনীতি এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সংসদীয় কর্মকাণ্ড আধুনিকায়নের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকের শুরুতেই ভারতীয় হাইকমিশনার লুই আই কানের স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত জাতীয় সংসদ ভবনের সৌন্দর্য ও নান্দনিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গভীর বন্ধনের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন। দুই দেশের জনগণের স্বার্থে এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর তিনি জোর দেন।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সংসদীয় পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানোর তাগিদ দেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, উভয় দেশের সংসদ সদস্যদের নিয়মিত সফর, মতবিনিময় এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় দুই দেশের সম্পর্ককে বহুমাত্রিক রূপ দেবে।

ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভার ডিজিটাল রূপান্তরের উদাহরণ টেনে বলেন, ভারতীয় পার্লামেন্ট আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে অত্যন্ত সফল। বাংলাদেশ সংসদীয় কার্যক্রমে শতভাগ স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে ‘ই-পার্লামেন্ট’ ব্যবস্থা চালুর যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে ভারতের কারিগরি ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করে ঢাকা।

হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর দীর্ঘ সংসদীয় অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে ডেপুটি স্পীকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশে তার দায়িত্ব পালনকালে দুই দেশের মধ্যে সংসদীয় সেতুবন্ধ আরও মজবুত হবে। আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময় ও সংসদীয় আধুনিকায়নে তিনি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে কায়সার কামাল আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে সংসদীয় কূটনীতিকে বিশ্বায়নের যুগে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে অভিহিত করা হয়। উভয় পক্ষই একমত হয় যে, এই ধরনের সহযোগিতা দুই দেশের আইনপ্রণেতাদের জন্য শিখন ও অভিজ্ঞতার এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করবে।

জনগণের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে দুই দেশের প্রতিনিধিরা দ্বিপাক্ষিক আস্থা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক বিশ্বাস সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বৈঠকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো: গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া ও ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনারসহ উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।