মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ নেতাদের অনুরোধে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। একই সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
রবিবার (২ আগস্ট, ২০২৬) ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলা’ চালানোর জন্য প্রস্তুত ছিল। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা এবং ইরানের কয়েকজন কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আসা অনুরোধের পর তিনি সেই পরিকল্পনা স্থগিত করেন।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসহ উপসাগরীয় নেতারা তাঁকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান এবং উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার সুযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন। এর পরই তিনি সামরিক পদক্ষেপের বদলে কূটনৈতিক পথকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এই অবস্থান ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সঙ্গে স্পষ্ট বৈপরীত্য তৈরি করেছে। এর আগের দিন তিনি ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার বিষয়ে আস্থা হারানোর কথা বলেছিলেন এবং সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ‘খুব কঠোর’ হামলা চালাবে।
তবে সর্বশেষ ঘোষণায় ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, আপাতত সংঘাত এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সম্ভাবনা খোলা রাখতে চান তিনি।



