― Advertisement ―

বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

পারস্পরিক স্বার্থে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উদার’ বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের প্রধান খাতগুলোয় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার বেইজিংয়ের সাংগ্রি-লা সার্কেলে...

দেশের বাজারে ভরিপ্রতি সোনার দাম কমাল বাজুস

দেশের বাজারে সোনা ও রুপার নতুন মূল্যমান পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংশোধিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের (১১.৬৬৪ গ্রাম) প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা। বাজুসের মূল্য নির্ধারণী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগের দামের তুলনায় এবার ভরিপ্রতি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে, যা গতকাল পর্যন্ত বাজারমূল্যে ছিল ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে এই নতুন মূল্যতালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।

শনিবার সকালে বাজুসের ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং’ কমিটির এক জরুরি নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে আন্তর্জাতিক বাজারের সমীকরণ এবং অভ্যন্তরীণ কর কাঠামো বিশ্লেষণ করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাজুস প্রেরিত অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন দাম অনুযায়ী ভ্যাটসহ ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকায় নেমে এসেছে, যা মধ্যবিত্ত ও সাধারণ ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

সোনার দাম নিম্নমুখী হলেও বাজারে রুপার দাম সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস। নতুন চার্ট অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকাতেই বহাল থাকছে। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারে রুপার সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক চাহিদা স্থিতিশীল থাকায় এই খাতে মূল্যের কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি ঘোষিত প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সোনার ওপর আরোপিত প্রচলিত কর ও ভ্যাট পদ্ধতিতে বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। আগে দেশে সোনা ও স্বর্ণালংকার কেনাবেচার ক্ষেত্রে মোট বিক্রয়মূল্যের ওপর ফ্ল্যাট ৫ শতাংশ হারে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট পরিশোধ করতে হতো। নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শতাংশের এই জটিল পদ্ধতি পরিবর্তন করে প্রতি ভরি সোনার ওপর নির্দিষ্ট বা ফিক্সড ২ হাজার ৫০০ টাকা ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজেটের এই ইতিবাচক কর সংস্কারের ওপর ভিত্তি করেই বাজুস এবার ভ্যাটসহ চূড়ান্ত খুচরা বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে, যা জুয়েলারি শিল্পে স্বচ্ছতা আনবে।