― Advertisement ―

বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

পারস্পরিক স্বার্থে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উদার’ বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের প্রধান খাতগুলোয় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার বেইজিংয়ের সাংগ্রি-লা সার্কেলে...

পাবনায় চারকোল শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ

দেশের সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত চারকোল শিল্পের টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পাবনায় দিনব্যাপী এক বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫শে এপ্রিল পাবনার আমিনপুর বেড়ার ধর্মগঞ্জ কয়বাজারে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (বিপিসি) এবং বাংলাদেশ চারকোল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিসিএমইএ) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল কারখানার শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বিসিসিএমইএ-র সভাপতি আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, চারকোল খাত বর্তমানে বার্ষিক ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে এবং প্রায় ৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। তবে সামান্য অসচেতনতা বা নিরাপত্তার অভাব এই উদীয়মান খাতকে চিরতরে ধ্বংস করে দিতে পারে। বিশেষ করে অগ্নিনিরাপত্তা ও উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঠিক নিয়ম না মানলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলতে পারে।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় হাতে-কলমে প্রদর্শনের মাধ্যমে শ্রমিকদের শেখানো হয় কীভাবে কারখানার প্রতিকূল পরিবেশে নিজেদের সুরক্ষিত রাখা যায়। ধোঁয়া ও উত্তাপ থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) ব্যবহারের গুরুত্ব এবং জরুরি মুহূর্তে নিরাপদ প্রস্থানের কৌশলগুলো এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারী উদ্যোক্তা নাহিদ পারভিন খান কাকুলী, বেড়া উপজেলা পাট কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র সরকার এবং আমিনপুর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান মামুন।

পাবনা অঞ্চলের বিভিন্ন চারকোল কারখানার মালিক ও শ্রমিকরা এই প্রশিক্ষণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। সরকারি নীতি সহায়তা ও প্রণোদনার ফলে এই শিল্পটি বিকশিত হলেও, কারখানাগুলোর সেফটি ও সিকিউরিটি কমপ্লায়েন্স বজায় রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আয়োজকদের মতে, নিয়মিত এমন প্রশিক্ষণ উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষ করবে এবং শ্রমিকদের কাজের পরিবেশকে আন্তর্জাতিক মানের করে তুলবে।