― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

রাশিয়া থেকে তেল আমদানির অনুমতি মেলেনি এখনো; সাশ্রয়ী হতে রাত ৮টায় শপিংমল বন্ধের সিদ্ধান্ত

রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে জ্বালানি তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ছাড় (Sanction Waiver) চেয়ে চিঠি দিলেও এখনো ওয়াশিংটনের কোনো সাড়া পায়নি ঢাকা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল ২০২৬) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২২ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ফিরতি বার্তা আসেনি। তবে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট এ বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার রাশিয়া থেকে অন্তত ৬ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির জন্য দুই মাসের বিশেষ অনুমতি চেয়েছে। মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী আশ্বস্ত করে বলেন, “আপাতত আমাদের জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং এপ্রিল মাস পর্যন্ত আমরা পুরোপুরি নিরাপদ। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আমাদের এখনই সাশ্রয়ী হতে হবে।”

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ থেকেই সারাদেশে সব ধরনের দোকান, বিপণি বিতান ও শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে। তবে জরুরি সেবার আওতায় থাকা ফার্মেসি, হোটেল এবং কাঁচাবাজার এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে। এই সিদ্ধান্তটি দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারকে সহায়তা করবে বলে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মাসভিত্তিক পরিকল্পনা অনুযায়ী তেলবাহী জাহাজগুলো দেশে আসছে এবং ডিজেলের ক্ষেত্রে আপাতত কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। তবে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে রাশিয়া থেকে তেল আমদানির অনুমতি পাওয়া বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর আশ্বাসের পর সরকার এখন হোয়াইট হাউসের আনুষ্ঠানিক উত্তরের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।