― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

প্রশাসনিক গতি ফেরাতে কঠোর প্রধানমন্ত্রী; রদবদল হচ্ছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে

প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গতি আনতে বর্তমান মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়গুলোর ওপর রাজনৈতিক ও দাপ্তরিক চাপ কমাতে আগামী বাজেট অধিবেশনের আগেই নতুন কয়েকজন মুখ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন। এবারের রদবদলে কেবল নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তই নয়, বরং অদক্ষতা ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগে বর্তমান কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব কমানো বা দপ্তর পরিবর্তনের সম্ভাবনাও প্রবল হয়ে উঠেছে।

পিএমও-র একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, নতুন করে অন্তত পাঁচ থেকে ছয়জনের নাম নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে নিবিড় আলোচনা চলছে। এর মধ্যে তিন থেকে চারজন সরাসরি মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। বিশেষ করে টেকনোক্র্যাট কোটায় একজনের অন্তর্ভুক্তি প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পরামর্শ প্রদানের জন্য আরও দুজন নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্বহীন নোয়াখালী অঞ্চল থেকে কাউকে অন্তর্ভুক্ত করার জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

সম্ভাব্য তালিকায় আলোচনায় থাকা নামগুলোর মধ্যে অন্যতম হলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহিদুর রহমান, যাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় দেখা যেতে পারে। সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে চট্টগ্রাম-৮ আসনের এরশাদ উল্লাহ এবং পটুয়াখালী-৪ আসনের বি এম মোশাররফ হোসেনের নাম শোনা যাচ্ছে। সংরক্ষিত নারী আসন থেকে স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানের নাম আলোচনায় থাকলেও তাঁর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া ড. আব্দুল মঈন খান এবং বর্তমান মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টিও বেশ গুরুত্বের সাথে আলোচিত হচ্ছে।

সরকারের এই পদক্ষেপের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে মন্ত্রণালয়গুলোর অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতা ও কাজের ধীরগতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দূরত্বের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসেছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে প্রশাসনিক দুর্বলতা পরিলক্ষিত হওয়ায় সেখানে অভিজ্ঞদের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সরকারের মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের স্বার্থ বিবেচনা করেই প্রধানমন্ত্রী যেকোনো পরিবর্তন বা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেবেন, যা সরকারকে আরও জনমুখী ও কার্যকর করে তুলবে।