― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

নারীর মর্যাদা ও শরিয়াহ: নতুন চিন্তার রূপরেখা দিল ইসলামী আন্দোলন

একটি ন্যায়ভিত্তিক ও সাম্যবাদী রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য নিয়ে নিজেদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম (চরমোনাই পির) রাষ্ট্র পরিচালনার রূপরেখা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ৮ দফা ঘোষণা করেন। ইশতেহারে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, তারা ক্ষমতায় গেলে আদালত, ইনসাফ এবং সামাজিক নিরাপত্তার মতো ইসলামের মৌলিক নীতিমালাগুলোকে প্রতিটি স্তরে বাস্তবায়ন করবে।

চরমোনাই পির তাঁর বক্তব্যে একটি বড় আশঙ্কার নিরসন করে জানান, তারা মানুষকে ধর্ম বা জাতি হিসেবে ‘সংখ্যালঘু’ বা ‘সংখ্যাগুরু’ তকমায় বিভক্ত করবেন না। বরং বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক সমান মর্যাদা ও অধিকার ভোগ করবেন। উৎসবমুখর পরিবেশে সবার ধর্মীয় বিশ্বাস পালনের নিশ্চয়তা দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ইশতেহারে। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক সম্মান’ বজায় রাখার অঙ্গীকার করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ক্ষতি করতে দেওয়া হবে না।

নারীর অধিকার প্রসঙ্গে ইশতেহারে আধুনিক ও প্রথাগত চিন্তার এক মেলবন্ধন দেখা গেছে। দলটির দাবি, ইসলামি শরিয়াহ ও নারীর অধিকার পরস্পরবিরোধী নয়। বিদ্যমান সমাজ ব্যবস্থায় নারীর যে সংকট রয়েছে তা স্বীকার করে নিয়ে তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, ক্ষমতায় গেলে নারীর মর্যাদা, স্বাধীনতা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে ইসলামি নীতিমালাকেই সবচেয়ে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হবে। প্রযুক্তির আদান-প্রদান এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসিত বাংলাদেশ গড়ার এই ইশতেহার ভোটারদের মাঝে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।