রাজবাড়ীতে পাম্প শ্রমিক রিপন সাহাকে গাড়িচাপায় হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আবুল হাসেম সুজনের সঙ্গে সাংগঠনিক কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে জেলা যুবদল। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজবাড়ী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অভিযুক্ত সুজন দীর্ঘ সময় ধরে দলটির কোনো স্তরের সদস্য নন। মূলত একটি বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক সংগঠনকে জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রতিবাদেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খায়রুল আনাম বকুল তথ্য প্রমাণসহ জানান, আবুল হাসেম সুজন ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে স্বেচ্ছায় জেলা যুবদল ও বিএনপির সাধারণ সদস্যপদ ত্যাগ করে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছিলেন। ফলে গত ছয় বছর ধরে তার কর্মকাণ্ডের দায়ভার যুবদল নেবে না। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, গণমাধ্যমের একাংশ সুজনকে ‘যুবদল নেতা’ হিসেবে প্রচার করায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। তারা সুজনের বর্তমান রাজনৈতিক পরিচয় স্পষ্ট করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান এবং শ্রমিক রিপন সাহার নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) ভোররাতে গোয়ালন্দ মোড় এলাকার করিম ফিলিং স্টেশনে কর্মরত অবস্থায় রিপন সাহাকে গাড়িচাপায় দেওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজের সহায়তায় পুলিশ ঘাতক গাড়িসহ মালিক আবুল হাসেম সুজন ও চালক কামাল হোসেনকে গ্রেফতার করে। রিপনের ছোট ভাই প্রদীপ সাহার দায়ের করা হত্যা মামলায় ইতিমধ্যে চালক কামাল হোসেন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে মামলার উভয় আসামিই কারাগারে রয়েছেন।



