― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

যেভাবে বাড়ে ইলিশের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইলিশ মাছ, প্রাকৃতিক ভাবে সাগর-নদীতে উৎপাদন হয়। তবে সাগর-নদী থেকে ইলিশ ধরতে এবং বিক্রি করার আগ পর্যন্ত জেলেদের স্বাভাবিক হারে টাকা ব্যয় হয়৷ তাদের যে টাকা ব্যয় হয়, সব খরচ বাদ দিয়ে সামান্য লাভে ইলিশ মোকামে বিক্রি করে জেলেরা। সেই দাম অনুযায়ী পাইকারী ও খোলা বাজারে ইলিশের দাম ক্রেতা সাধারণের হাতের নাগালে থাকার কথা। কিন্তু মোকামে জেলেদের ইলিশ বিক্রির পর পরই শুরু হয় মুনাফালোভীদের দাম বাড়ানোর প্রতিযোগীতা।

সিন্ডিকেট:
অসাধু ব্যবসায়ী, সিন্ডিকেট ও আড়তদার নিজের ইচ্ছেমতো ইলিশের দাম হাঁকায়। মোট কথা হলো, তারাই মূলত ইলিশ দাম নিয়ন্ত্রণ করে। তখন থেকে আর ইলিশের দাম ক্রেতা সাধারনের হাতের নাগালে থাকে না।

দাম নির্ধারণে সরকারের উদ্যোগ :
জেলেদের ইলিশ আহরণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় হিসেবে ইলিশের দাম নির্ধারণের বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

চিঠিতে বলা হয়, চাঁদপুরের ইলিশের সুস্বাদুতার সুযোগ নিয়ে চাঁদপুর ও আশপাশের জেলার কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ও আড়তদার নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন, চড়া দামের কারণে ইলিশ কেনা একেবারেই ক্রেতা সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

যেহেতু ইলিশ চাঁদপুরসহ অন্যান্য জেলাতেও ধরা পড়ে, সেহেতু কেবলমাত্র জেলা প্রশাসন, চাঁদপুর কর্তৃক ইলিশের মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হলে এর ফলপ্রসূ প্রভাব পড়বে না। যার ফলে চাঁদপুরের পাশাপাশি বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠিসহ আরও অনেক সাগর তীরবর্তী জেলায় ইলিশ ধরা পড়ে থাকে। নদী অথবা সাগরে ইলিশ উৎপাদনে জেলেদের কোনো উৎপাদন খরচ না থাকলেও ইলিশের দাম অসাধু ব্যবসায়ী কিংবা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।

যেহেতু ইলিশ প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদন হয়, তাই ইলিশ আহরণ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ইলিশের মূল্য নির্ধারণ প্রয়োজন। সেই চিঠির প্রেক্ষিতে ইলিশের মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাতে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে অনুমোদন সংক্রান্ত একটি চিঠিতে এ তথ্য জানা যায় ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ শাখার স্মারকে গত ২৬ জুন এ সংক্রান্ত চিঠি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক চাঁদপুর ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের একান্ত সচিব বরাবর পাঠান জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মু. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কমিশনারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত জুন ২০২৫ এর প্রথম পক্ষের পাক্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিম্নোক্ত প্রস্তাবটি প্রধান উপদেষ্টার সমীপে উপস্থাপন করা হয়।

টিবিএম/জ/রা