― Advertisement ―

এবার ঢামেকে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

বরিশাল মেইল ডেস্কঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) একাডেমিক কাউন্সিলে এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ক্যাম্পাস ও হলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ তদন্ত...

কঙ্গোতে ইবোলার ভয়াবহ থাবা: ৬৫ জনের মৃত্যু, ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) আবারও থাবা বসিয়েছে ভয়াবহ ইবোলা ভাইরাস। দেশটির ইতোয়ুরি প্রদেশে এই প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আফ্রিকার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। খনিসমৃদ্ধ এই এলাকায় এখন পর্যন্ত ২৪৬ জনের শরীরে রক্তক্ষরণজনিত এই জ্বরের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই সংক্রমণ প্রতিবেশী দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার প্রবল ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা পুরো অঞ্চলের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) জানিয়েছে, ইতোয়ুরি প্রদেশের সঙ্গে উগান্ডা ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্ত থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে খনি এলাকায় শ্রমিকদের ব্যাপক যাতায়াত ভাইরাসের বিস্তারে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। ইবোলা অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ; এটি আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, বমি বা শরীরের যেকোনো তরল পদার্থের সরাসরি সংস্পর্শে ছড়ায়। এমনকি মৃতদেহের সৎকার করার সময়ও ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকি থাকে।

কঙ্গোর জাতীয় গবেষণাগারে পরীক্ষিত ২০টি নমুনার মধ্যে ১৩টিতেই ইবোলার অস্তিত্ব মিলেছে। তবে বিজ্ঞানীদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো, প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে এবারের ভাইরাসের ধরনটি পূর্বের পরিচিত ‘জায়ারে’ ধরন থেকে আলাদা। সাধারণত জায়ারে ধরনের টিকা বিদ্যমান থাকলেও নতুন এই প্রজাতির ক্ষেত্রে তা কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ফলাফল পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আফ্রিকা সিডিসি একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে। এতে কঙ্গো, উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। আফ্রিকা সিডিসির মহাপরিচালক ড. জিন কাসিয়া দ্রুত আঞ্চলিক সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে জানিয়েছেন, কঙ্গোর জনগণের পাশে থেকে এই মহামারি রুখতে তারা বদ্ধপরিকর। ১৯৭৬ সালে প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর কঙ্গোতে এটি ইবোলার ১৬তম প্রাদুর্ভাব, যা আবারও মহাদেশটির ভঙ্গুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে।