― Advertisement ―

এবার ঢামেকে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

বরিশাল মেইল ডেস্কঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) একাডেমিক কাউন্সিলে এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ক্যাম্পাস ও হলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ তদন্ত...

চট্টগ্রামে বাড়ছে হামের প্রকোপ: নতুন ভর্তি ২৩ জন, টিকাদানে স্বাস্থ্য বিভাগের জরুরি আহ্বান

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমে উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় আরও দুইজনের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের নিয়মিত প্রতিবেদনে এই আশঙ্কাজনক তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত ও ভর্তি হওয়া সকল রোগীই চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার বাসিন্দা, যা নগরবাসীর মধ্যে বাড়তি দুশ্চিন্তার জন্ম দিয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চট্টগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২ জনে। এখন পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মোট ৪১ জনের শরীরে আনুষ্ঠানিকভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা কার্যক্রম জোরদার করেছে। এখন পর্যন্ত জেলাজুড়ে মোট ৪১৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৯০টি মহানগর থেকে এবং ১২৩টি বিভিন্ন উপজেলা থেকে সংগৃহীত।

চট্টগ্রামের জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, “আমরা সংক্রমণ পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এ পর্যন্ত ১৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।” তবে সংক্রমণ ঠেকাতে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির ওপর জোর দেওয়ার জন্য তিনি অভিভাবকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হাম রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য অবকাঠামোর ওপর চাপ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন বা টিকাদানে অসচেতনতার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে আক্রান্ত শিশুদের আলাদা রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের এই তৎপরতা ও নিয়মিত বুলেটিন প্রকাশের লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষকে সচেতন করা, যাতে একটি বড় ধরনের মহামারি পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।