― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

স্বস্তির খবর: এপ্রিলেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে অস্থিরতা থাকলেও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির বার্তা দিয়েছে সরকার। আগামী এপ্রিল মাসে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়। ফলে গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্ধারিত দামেই গ্রাহকরা পবিত্র ঈদের মাসেও জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার আলোকে এই সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

ফেব্রুয়ারি মাসে লিটারপ্রতি ২ টাকা কমানোর পর বর্তমানে ডিজেল ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মার্চ মাসেও এই দাম বহাল ছিল এবং এপ্রিলের পুরোটা সময় এই দরেই তেল পাওয়া যাবে। সরকার মনে করছে, বর্তমানে তেলের দাম না বাড়ানো সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার প্রবণতা থাকলেও অভ্যন্তরীণ বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তবে দাম না বাড়লেও মাঠপর্যায়ে সরবরাহ নিয়ে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধের প্রবাদে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে সংকটের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই আশঙ্কায় দেশের অনেক গ্রাহক পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন দিচ্ছেন এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করছেন। ফলে অনেক এলাকায় সাময়িক কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। সরকার বারবার অভয় দিলেও আতঙ্কিত হয়ে তেল মজুত করার প্রবণতা সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি নেই। তবে কিছু অসাধু চক্র বেশি লাভের আশায় অবৈধ মজুত গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অবৈধ তেল উদ্ধার করছে। সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, আপাতত তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই এবং কেউ অবৈধ মজুত করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।