― Advertisement ―

‘নিষ্প্রভ’ কেইনের কাঁধে সতীর্থদের আস্থার হাত

বুন্ডেসলিগায় গোলের পর গোল করে ইউরোতে খেলতে এসে নিজেকে যেন খুঁজে ফিরছেন হ্যারি কেইন। টুর্নামেন্টে এখনও দেখা যায়নি তার সেরা চেহারা। তবে এনিয়ে একদমই...

ক্লাব-বিসিবি দ্বন্দ্ব: নির্ধারিত সময়ে শুরু হচ্ছে না মেয়েদের ঘরোয়া লিগ

বাংলাদেশের ঘরোয়া নারী ক্রিকেটের ক্যালেন্ডারে বড় ধরনের রদবদলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। আগামী এপ্রিল মাস থেকে প্রথমবারের মতো নারীদের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এবং ঢাকা নারী প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ—উভয় টুর্নামেন্ট একসঙ্গে শুরুর পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। তবে ক্লাবগুলোর আপত্তির মুখে প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগটি পিছিয়ে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মূলত জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের অনুপস্থিতিতে দল গড়তে অনীহা প্রকাশ করেছে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলো, যা বিসিবিকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

সম্প্রতি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাওয়া নয়টি ক্লাবের প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছিল বিসিবির মহিলা উইং। সেখানে বিসিবির পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয় যে, জাতীয় দলের বাইরের ক্রিকেটারদের নিয়ে লিগ শুরু করার। তবে ক্লাবগুলো এই প্রস্তাবে সরাসরি অসম্মতি জানায়। তাদের দাবি, তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়া লিগের জৌলুস যেমন কমবে, তেমনি প্রতিযোগিতার ভারসাম্যও নষ্ট হবে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ক্লাবগুলো বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় চেয়ে নিলেও শেষ পর্যন্ত বিসিবির সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করেনি তারা।

তৃণমূল ও ঘরোয়া ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচিও এই বিলম্বের অন্যতম কারণ। বর্তমানে বিসিবির মহিলা উইং আটটি বিভাগে অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় নারী ক্রিকেট লিগ আয়োজনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সঙ্গে ১৪ মার্চ নারী বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। একটি সূত্র মারফত জানা গেছে, বিসিবি এখন প্রিমিয়ার লিগটি এমন একটি সময়ে আয়োজন করতে চায় যখন জাতীয় দলের ব্যস্ততা কম থাকবে এবং ক্লাবগুলো তাদের পছন্দের সেরা ক্রিকেটারদের দলে ভেড়াতে পারবে।

তবে নারী বিপিএল নিয়েও অনিশ্চয়তার কালো মেঘ সম্পূর্ণ কাটেনি। টুর্নামেন্টের ফ্র্যাঞ্চাইজি কারা হতে যাচ্ছে, তা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি ক্রিকেট বোর্ড। ড্রাফটের তারিখ ঘনিয়ে এলেও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মালিকানা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। সব মিলিয়ে এপ্রিলের শুরুতেই ঘরোয়া ক্রিকেটের দুটি বড় টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা এখন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ক্লাবগুলোর অনড় অবস্থানের কারণে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।