― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

বিএনপির শক্ত প্রতিপক্ষ জামায়াত, বিদ্রোহীরাও ঘটাবে চমক; বলছে গোয়েন্দা বার্তা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে যখন টানটান উত্তেজনা, ঠিক তখনই একটি গোপনীয় গোয়েন্দা প্রতিবেদন নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা ও নিরাপত্তার ছক তৈরির উদ্দেশ্যে সরকারের একাধিক সংস্থা যে জরিপ চালিয়েছে, তার একটি কপি যুগান্তরের হাতে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল জনসমর্থন নিয়ে অনেকগুলো আসনে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে অনেক জায়গায় বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এমনকি বেশ কিছু আসনে বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনাও রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে।

প্রতিবেদনটির তথ্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে বিএনপির আধিপত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে বগুড়া, দিনাজপুর ও রংপুরের সিংহভাগ আসনে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। তবে ঠাকুরগাঁও-২ ও দিনাজপুর-৪ এর মতো আসনে জামায়াতের প্রার্থীরা শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন। এছাড়া কুড়িগ্রাম-১ ও মৌলভীবাজারের মতো বেশ কিছু জায়গায় ত্রিমুখী ও চতুর্মুখী লড়াইয়ের আভাস দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দারা মনে করছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি বিদ্রোহী প্রার্থীরাও বড় বড় চমক দেখাতে পারেন, যা অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীর জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে ১৫টিতেই বিএনপির জয়ের উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে এই রিপোর্টে। তবে গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরের মতো জায়গায় লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। দক্ষিণবঙ্গ ও চট্টগ্রামে জামায়াত বেশ কিছু আসনে বিএনপিকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। সার্বিকভাবে এই গোয়েন্দা বার্তাটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এবারের নির্বাচনটি কেবল বড় দলের লড়াই নয়, বরং জনপ্রিয় স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে এটি এক অভাবনীয় রাজনৈতিক প্রতিচ্ছবি তৈরি করতে যাচ্ছে। ভোটারদের এই নতুন পালস নির্বাচনে বড় কোনো পরিবর্তনেরই পূর্বাভাস দিচ্ছে।