স্বাস্থ্য ডেস্ক
সাধারণত ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সের যুবক-যুবতিদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি থাকে। আবার ভৌগোলিক-সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার কারণেও বাড়ছে যুবকদের আত্মহত্যা। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য সংকটেও আত্মহননের সিদ্ধান্ত নেন অনেকে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, বিশ্বে প্রতি ১০০টি মৃত্যুর মধ্যে একটির বেশি আত্মহননের কারণে হয়৷ বিশেষভাবে যুবকদের মধ্যে বাড়তে থাকা মানসিক স্বাস্থ্যের সংকট রোধে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) এমন তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
তাদের তথ্যে আরো উঠে এসেছে যে, ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে আত্মহনন হার এক-তৃতীয়াংশ কমানোর লক্ষ্য থাকলেও বর্তমান অগ্রগতি মাত্র ১২ শতাংশ। যা হ্রাসের ইঙ্গিত দিচ্ছে ডব্লিউএইচও।
আবার প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আত্মহনন বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ বাস করা নিম্ন-আয়ের দেশগুলোতে ঘটে।
এদিকে ওয়ার্ল্ড মেন্টাল হেলথ টুডে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবকদের মধ্যে আত্মহনন এখনও মৃত্যুর প্রধান কারণের মধ্যে রয়েছে ভৌগোলিক- সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট।
২০২১ সালে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী কন্যা ও নারীদের জন্য এটি মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ ছিল। একই বয়সের পুরুষদের জন্য ছিল তৃতীয় প্রধান কারণ।
ডব্লিউএইচও এর সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ২০২১ সালে বিশ্বজুড়ে আনুমানিক সাত লাখ ২৭ হাজার জন আত্মহনন করেছে।
এছাড়াও ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছে। যুবকদের মধ্যে মানসিক চাপ বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন সংস্থাটি।
ডব্লিউএইচওর অ-সংক্রামক রোগ ও মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগের অন্তর্বর্তী প্রধান দেবোরা কেস্টেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী প্রতি ১০০টির মধ্যে একটির বেশি মৃত্যুর জন্য দায়ী আত্মহত্যা এবং প্রতি মৃত্যুর জন্য প্রায় ২০টি আত্মহত্যার চেষ্টা হয়।
ডব্লিউএইচওর প্রধান তেডরোস আধানোম গেব্রিয়েসুস এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রতিটি মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য পরিষেবার রূপান্তর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে একটি।
টিবিএম/জ/রা



