― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

গোপালগঞ্জে নিহতদের ময়নাতদন্ত কেন হলোনা ?

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ ঘিরে সংঘাতের সময় নিহত ব্যক্তিদের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত না হাওয়া নিয়ে দেশ জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

তবে সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত না হাওয়া নিয়ে একটি ব্যাখা দিয়েছে গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেষ বিশ্বাসের স্বাক্ষর করা ব্যাখ্যাটি রবিবার (২০ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো হয়।

ব্যাখায় বলা হয়েছে:

গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ জেলায় অপ্রত্যাশিত ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের লাশ ময়নাতদন্ত না করার প্রকৃত ঘটনা হল, ঘটনার দিন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রথমে একটি মৃতদেহ আসে। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণার পর ময়নাতদন্তের কার্যক্রম শেষ করে লাশ নেওয়ার কথা বললে নিহতের স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।

এক পর্যায়ে জোরপূর্বক লাশ নিয়ে যান। পরবর্তীতে বাকি মৃতদেহগুলো স্বজনরা ময়নাতদন্ত করাতে রাজি না হয়ে হাসপাতালে কর্মরত কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে জোরপূর্বক মৃতদেহ নিয়ে যান।

এই সময় উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং চারদিকে সংঘর্ষ চলমান থাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অসহায় বোধ করে।

এছাড়াও আহত লোকজনের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ডবয় এবং অন্যান্য কর্মচারী কাজ করায় এবং বাহিরের পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

কিন্তু পরবর্তীতে ঘটনা সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ হস্তান্তরের বিষয়টি পুলিশকে মোবাইল ফোনে এবং লিখিতভাবে জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য :
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতদের মরদেহ নিজ উদ্যোগে নিয়ে চলে যাওয়ায় ময়নাতদন্ত সম্ভব হয়নি। প্রয়োজনে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে বলেও জানান উপদেষ্টা।

টিবিএম/জ/রা