― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

বৃহস্পতিবার সারাদেশে ২ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে এনআইডি সেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসার কারণে ‘স্ট্যান্ড ফর এনআইডি’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

কর্মসূচি হিসেবে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এনআইডি’র সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সারা দেশে নিজ অফিসের সামনে মানববন্ধন করবে।

এর ফলে এই দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সারাদেশে সকল ধরণের এনআইডি সেবা।

বুধবার (১২ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন এই তথ্য জানান বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ও উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন।

তিনি বলেন, ভোটার তালিকা ও এনআইডি একই প্রতিষ্ঠানে থাকবে। বিগত তিনটি নির্বাচন কমিশন চাচ্ছে ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনে থাকুক।

কিন্তু মাঝপথে দেখলাম এনআইডি নিয়ে আলাদা একটা কমিশন করার জন্য। এর প্রতিবাদে আমরা সিইসিকে একটা স্মারকলিপি দিয়েছি।

সেই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশনও সরকারকে অবগত করেছে। কিন্তু আমরা এখনো দৃশ্যমান কোন ফল দেখতে পাচ্ছি না।

তাই এনআইডি নির্বাচন কমিশনে রাখার দাবিতে বৃহস্পতিবার সকল নির্বাচন অফিসের সামনে স্ট্যান্ড ফর ‘এনআইডি’ কর্মসূচি পালন করবো।

সকাল ১১ থেকে ১ টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করবো।

এই সময় এনআইডি সেবা বন্ধ থাকবে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে মনির হোসেন বলেন, আমরা সবাই অফিস কক্ষ ছেড়ে অফিসের সামনে স্ট্যান্ড ফর এনআইডি কর্মসূচি পালন করবো।

তাহলে এনআইডি সেবা দেবে কে। সুতরাং এই সময় সকল কাজ বন্ধ থাকবে স্বাভাবিক।’

নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান বলেন, এনআইডি কার্যক্রম যাতে ইসি থেকে না যায় সে বিষয়ে কমিশন সব উদ্যোগ নেবে।

এনআইডি যদি ইসি থেকে অন্যত্র চলে যায় তাহলে নির্বাচন হুমকির মুখে পড়বে। এনআইডি ও ভোটার তালিকা জমজ সন্তান। এনআইডি নির্বাচন কমিশনে থাকা উচিত। স্বৈরাচার সরকার এনআইডি নির্বাচন কমিশন থেকে সরানোর চক্রান্ত করেছিল।

এনআইডি’র মাধ্যমে ১৮৩ প্রতিষ্ঠানকে আমরা তথ্য দিচ্ছি। এনআইডি কমিশন থেকে সরে গেলে হুমকির মুখে পড়বে। তিল তিল করে গড়ে ওঠা এনআইডি ধ্বংসও হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনে চার থেকে ৫ হাজার জনবল তৈরি করেছে এনআইডি সেবা দেয়ার জন্য। ’

এনআইডি’র সিস্টেম ম্যানেজার(কারিগরী) মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, এনআইডি এমনভাবে জন্ম হয়েছে এটা কমিশন থেকে আলাদা করার মতো নয়। ডাটাবেইজ একটা।

কোন প্রতিষ্ঠান এনআইডি নিতে হলে ভোটার তালিকাও নিতে হবে। এনআইডি নিলে ভোটার তালিকা ব্যহত হবে। এনআইডি চলে গেলে ভোটার তালিকায় ভাটা পড়বে।

এনআইডি জন্ম হয়েছে নির্বাচন কমিশনে সুতরাং এখানে থাকা দরকার।

এনআইডি পরিচালক( প্রশাসন ও অর্থ) মুহাম্মদ হাসানুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্টরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বিএম/জ/রা