নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা মেডিকেলের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারী ইউনিট থেকে ডালিয়া (৩২) নামে এক ভুয়া নারী চিকিৎসক আটক করা হয়েছে। সে এপ্রোন পরে ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটের তিনতলায় এক রোগীর চিকিৎসা করাইতে এসেছিলেন।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারী) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ন ইউনিটের ভবনের তৃতীয় তলায় এক রোগীকে আত্মিয় বানিয়ে চিকিৎসা দিতে এসে হাতেনাতে ধরে বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা। পরে আনসার সদস্যের কাছে সোপর্দ করেন।
ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিতে আসা যুবক আরমান বলেন,তার বাসা কেরানীগঞ্জে। গত এক বছর আগে কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়ে পায়ে আঘাত পান। পরে এক বছর ধরে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছে ডা. সালমা আমানের কাছে। তখন থেকেই ডালিয়া আমাদের সাথে ছিল। সে আমাদের দুসম্পর্কের আত্মিয়। তবে সে আমাদের কাছেও ডা. পরিচয় দেয়। আজকে জানলাম সে ডা.না।
তিনি আরো বলেন, আজ সকালে ফলোআপে আসি বার্ন ইউনিটে সাথে ছিল ডালিয়া। ডা. মেডাম চিকিৎসার বিষয়ে একটি ইংলিশ এক কথা বললে ডালিয়া ভুল বলে। তখন তাকে ভুয়া ডা. বলে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়।
তবে আটক ডালিয়া কোন বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয় নাই। এরআগে গত ১৭নভেম্বর হাসপাতালের নাক নাক গলা বিভাগ থেকে পাপিয়া আক্তার স্বর্না (২২) নামে এক তরুনীকে আটক করা হয়েছিল।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ন ইউনিটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, এক তরুনীকে এপ্রোন পরা গলায় থেটিস্কোপ লাগানো এক তরুনীকে আটক করা হয়েছে। তবে সে ডা. পরিচয় দিলেও কোন কথা বলতে রাজি হয় নাই। তার কাছ থেকে কোন ধরনের তথ্য বের করা সম্ভব হয় নাই। তবে তার আচরন দেখে মনে হয়েছে সে প্রফেসনাল প্রতারক। তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। আইনুযায়ী তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোঃ ফারুক বলেন, বার্ন ইউনিট কর্তৃপক্ষ ভূয়া চিকিৎসক পরিচয় দানকারী ডালিয়া নামে এক ভুয়া চিকিৎসক আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। শাহবাগ থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করবে।
বিএম/জ/রা



