― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

সাবেক মন্ত্রীরা কাঠগড়ায়: ৪৫ মিনিটের শুনানি, রিমান্ডে আরও তদন্তের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে বুধবার সকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এবং একাধিক সাবেক মন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে হাজির ছিলেন সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক, রাশেদ খান মেনন, শাজাহান খান, কামাল আহমেদ মজুমদার, জুনাইদ আহমেদ পলক এবং দীপু মনি।

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এই নেতাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

আসামিপক্ষ থেকে রিমান্ডের বিরোধিতা করে বলা হয়, এসব মামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক এবং সত্যের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র নেই। আনিসুল হকের আইনজীবী দাবি করেন, তার মক্কেল ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না।

জুনাইদ আহমেদ পলক ও আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব আদালতে নিজে বক্তব্য দেন। জ্যাকব বলেন, তিনি কখনোই ঢাকার রূপনগরে যাননি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ হয়রানিমূলক। তবে শুনানি শেষে আদালত জ্যাকবের তিন দিনের এবং আনিসুলের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন আদালতকক্ষে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে নিয়ে আসা হয়। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে তার সংক্ষিপ্ত কথোপকথন হয়। রাশেদ খান মেনন, শাজাহান খান এবং কামাল মজুমদারের বিরুদ্ধেও হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে রিমান্ডের অনুমতি দিয়ে এজলাস ত্যাগ করেন। এরপর একে একে তাদের মাথায় হেলমেট পরিয়ে আদালত হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

শুনানির সময় আদালত প্রাঙ্গণে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। পুলিশের পাশাপাশি সেনাসদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়।

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হচ্ছে। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও প্রাক্তন আমলা গ্রেপ্তার হয়েছেন। আনিসুল হকের বিরুদ্ধে ৫৫টি মামলা এবং সালমানের বিরুদ্ধে ৪৮টি মামলা দায়ের হয়েছে।

রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে এসব মামলার শুনানি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এ ঘটনাগুলোকে প্রতিহিংসামূলক আখ্যা দিলেও আদালত আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।