― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

শিক্ষকদের আন্দোলনে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

তিন দফা দাবিতে ক্লাস ছেড়ে রাজধানীতে আন্দোলনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। এর আগেও বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করেছেন তারা। অন্যদিকে, ঢাকা কলেজে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশের সব সরকারি কলেজে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষকরা।

শিক্ষকদের এই কর্মসূচির কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ক্লাস-পরীক্ষাও স্থগিত রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও এদিন কোনও ক্লাসরুমে যাননি শিক্ষকরা।

অন্যদিকে গত রোববার শিক্ষকদের কর্মসূচিতে পুলিশি বাঁধা ও মারধরের পর এ নিয়ে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। এরপরই ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নেন শিক্ষকরা। পরে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে সচিবালয়ে অভিমুখে পদযাত্রা করলেও তাতেও কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে পথ বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

সব মিলিয়ে শিক্ষকদের এসব আন্দোলনের ফলে শিক্ষা ব্যবস্থায় এক ধরনের অচলবস্থার তৈরি হয়েছে। শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা বলছেন, দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় ভুল পরিকল্পনার মাশুল দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেছেন, ‘শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একমত মন্ত্রণালয়, আমাদের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে বাকিটা অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওপরই নির্ভর করছে। এক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে আর তেমন কিছু করার নেই।’

আন্দোলনে অংশ নেওয়া ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার শিক্ষক বাহাদুর শাহ্ মুন্না বলেন, ‘‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বর্তমানে বাড়ি ভাড়া বাবদ মাসিক এক হাজার টাকা, চিকিৎসা ভাতা পাঁচশ টাকা এবং উৎসব ভাতা হিসেবে বেতনের ২৫ শতাংশ প্রদান করা হয়, যা বর্তমান বাজার দরের সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ।’

তমালিকা মুখার্জি নামে নারায়ণগঞ্জের একজন শিক্ষক বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ প্রতিষ্ঠানে গিয়েছিলাম, কিন্তু কোনও ক্লাস নেইনি।’

এদিকে, ঢাকা কলেজে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের চলমান কর্মবিরতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানানো হয়েছে।