― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

রাজধানীতে গত ৪ মাসে ৩৫১ সাপ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা রাজধানী ঢাকা। এই ব্যস্ততম শহর থেকে গত চার মাসে অন্তত ৩৫১ সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে রাজধানীবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এতো কোলাহলের ভেতর সাপ কিভাবে বাস এবং বংশবিস্তার করছে।

ভূক্তভোগীরা বলছেন, বাসার ভেতরে, গ্যারেজে এমনকি বহুতল ভবনের নয়তলায়ও সাপ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে পদ্মগোখরা, রাসেল ভাইপার, খৈয়া গোখরা, রাজ কেউটের মতো বিষধর সাপও রয়েছে।

ঢাকার মতো জনবহুল এলাকায় এ ধরণের বিষধর সাপ পাওয়ায় গবেষকদের কেউ কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ আহসান বিষয়টি ‘আনইউজুয়াল এবং চিন্তার’ বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এটা আনইউজুয়ালতো বটেই। সাপ থাকতে পারে ঢাকা শহরে যদি ঝোপঝাড় থাকে। কিন্তু এতো সাপ কি করে হলো এটাতো চিন্তার বিষয়। এর আগেও ঢাকায় কিছুসংখ্যক বিষধর সাপ পাওয়া গেলেও এবারই প্রথম এতো বেশিসংখ্যক সাপের খবর পাওয়া যাচ্ছে।’

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভেনোম রিসার্চ সেন্টারের রিসার্চ এসোসিয়েট মো. মিজানুর রহমান অবশ্য মনে করেন, জলাশয় ও খালবিল ভরাট করে মানুষ বাসস্থান তৈরি করায় সাপের বাসস্থান সংকট তৈরি হয়েছে। তাই সাপ মানুষের বাসায় ঢুকে পড়ছে।

ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে এসব সাপগুলো উদ্ধার করছে বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন নামের একটি সংস্থা। এই সংস্থার আহ্বায়ক আদনান আজাদ জানিয়েছেন, গত চার মাসে ৩৫১ টি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে মাত্র তিনটি নির্বিষ সাপ এবং বাকিগুলো বিষধর।

অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আজাদ নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, ‘পাঁচ-ছয় বছর বা সাত বছর আগেও উত্তরার দিয়াবাড়িতে কোনো আবাসিক ভবন ছিল না, জলাশয় ছিলো। আফতাব নগরেরও একই অবস্থা। এই জলাশয়েই সাপের বাসস্থান ছিল। মানুষ নিজের আবাসনের জন্য এখানে বাসস্থান করেছে।’

তিনি বলেন, ‘সাপের থাকার জায়গা আস্তে আস্তে ছোট হয়ে গেছে। ফলে সাপগুলো নিরবে মানুষের বাসস্থানে অবস্থান নিয়েছে।’