নিজস্ব প্রতিবেদক
রংপুরের পীরগাছায় আটজন মানুষের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর)। ওই এলাকার কিছু বাড়ির ফ্রিজে রাখা গরুর মাংসেও অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু শনাক্ত হয়েছে।
এছাড়া আরও দুটি উপজেলা থেকে সন্দেহভাজন রোগীদের নমুনা আইইডিসিআরকে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. রুহুল আমিন।
জানা যায়, অ্যানথ্রাক্স আক্রান্তের তথ্য পাওয়ার পর গত এক মাসে পীরগাছা উপজেলা সহ জেলার কয়েকটি উপজেলায় দেড় লাখের বেশি গবাদি পশুকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাজারগুলোর কসাই ও গরু খামারীদের অসুস্থ গরুর বিষয়ে সচেতন করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

রংপুরের স্থানীয় প্রশাসন ও হাসপাতালের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টের শেষের দিকে অ্যানথ্রাক্স উপসর্গ নিয়ে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের আসা শুরু হয়। এর মধ্যে পীরগাছা সদর ও পারুল ইউনিয়নে একজন পুরুষ ও একজন নারীর ‘অ্যানথ্রাক্স উপসর্গ’ নিয়ে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রাণিসম্পদ বিভাগ মাংসের নমুনা পরীক্ষা করে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু পাওয়ার বিষয়টি জানায়।
এ বিষয়ে রংপুর জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘জেলার পীরগাছায় আটজন মানুষের শরীরে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু পাওয়া গেছে। পীরগাছা ছাড়া মিঠাপুকুর ও কাউনিয়া উপজেলায় অ্যানথ্রাক্স উপগর্স দেখা দেওয়ায় দুই জায়গা থেকেই নমুনা আইইডিসিআরকে পাঠানো হয়েছে। তবে সেগুলোর রিপোর্ট এখনো আসেনি।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন বলছেন, অ্যানথ্রাক্সের চিকিৎসা আছে, তবে অসুস্থ গরুর মাংস জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।



