― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

মাত্র ১২০০ টাকার জন্য খুন!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মাত্র বারোশ টাকার জন্য আরিফুল ইসলাম (২৭) নামে এক তরুণকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গত রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় হত্যাকান্ডের এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির দক্ষিণখান থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আবু বক্কর (২০), রানা (২৩) ও আমির হোসেন (২০)।

পুলিশ জানায়, নিহত আরিফুল উত্তরখান থানার দোরাদিয়া বাজারে একটি এমব্রয়ডারি ফ্যাক্টরীতে কাজ করতেন। আরিফুলের সাথে গ্রেফতারকৃতরাসহ কয়েকজনের ১২০০ টাকা পাওনা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ঝগড়া চলছিলো। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রা ৮টার দিকে গ্রেফতারকৃত রানা ফোন করে আরিফুলকে দক্ষিণখানের নর্দাপাড়ার চান্দুর ফাঁকা মাঠে আসতে বলেন। সেখানে আগে থেকে আরো কয়েকজন ওঁত পেতে ছিল। আরিফুল সেখানে পৌঁছলে তারা হামলা করে। একপর্যায়ে আমির হোসেন ধারালো চাকু দিয়ে আরিফুলের বুকে আঘাত করে। আরিফুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন চলে আসলে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে আরিফুলকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরিফুলের বাবা মো. দুলাল হোসেন চারজনকে অভিযুক্ত করে ও অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জনের বিরুদ্ধে দক্ষিণখান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

থানা সূত্রে আরো জানা যায়, হত্যাকান্ডের পরপরই দক্ষিণখান থানা পুলিশের কয়েকটি দল অভিযান চালিয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতেই হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত আবু বক্কর ও রানাকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে দক্ষিণখানের তালতলার একটি ভাড়া বাসার ছাদ থেকে এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত আমির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। আমির হোসেনের দেয়া তথ্য ও দেখানো মতে পাশের এক ব্যক্তির টিনের চালা থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকুটি উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তারা আদালতে হত্যাকান্ডে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং পলাতক অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।