― Advertisement ―

বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী

পারস্পরিক স্বার্থে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উদার’ বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুবিধা নিয়ে চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের প্রধান খাতগুলোয় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার বেইজিংয়ের সাংগ্রি-লা সার্কেলে...

দাম বৃদ্ধিতে ছোট হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্যতালিকা

ডেস্ক রিপোর্ট : রমজান মাস সামনে রেখেই প্রতি বছর অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পণ্যের দাম বাড়ায়।

সেই আশঙ্কা থেকেই এবার রমজানের আগের তিন মাসে আমদানি বাড়িয়েছে সরকার, যাতে রমজানে পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা সম্ভব না হয়।

এতে গত বছরের তুলনায় রমজানকেন্দ্রিক প্রয়োজনীয় ৯ পণ্যের আমদানি বেড়েছে ২০ থেকে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত।

তথ্য বলছে, সরকারের এমন উদ্যোগের মধ্যেও গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ১২-১৫ শতাংশ।

বিশেষ করে, ফলের দাম বেড়েছে প্রায় ২০-২৫ শতাংশ।

এতে সেহরির খাবার তালিকা থেকে যেমন বাদ দিতে হচ্ছে মাছ-মাংস, তেমনি ইফতারিতে বাদ দিতে হচ্ছে বিদেশি ফল।

হিসাব করে দেখা যায়, মাছ-মাংস বাদ দিয়েই সেহরিতে একজনের খাবার খরচ পড়ে ৫৫-৬০ টাকা। এতে চারজনের একটি পরিবারের দিনে লাগে ২২০ টাকা।

সন্ধ্যা রাতে খাবারে কাটছাঁট করে খরচ ১৫০ টাকা, আর ইফতারিতে ফল যোগ না করে গড়ে যদি ১২০ টাকা খরচ করা হয়, তবে মাসে চারজনের পরিবারে ব্যয় হবে প্রায় ১৪ হাজার ৭০০ টাকা।

মাছ-মাংস যোগ হলে সেহরিতে ন্যূনতম ৩৫০, রাতের খাবারে ৩০০ ও ইফতারিতে ফল যোগ করে গড়ে ২৫০ টাকা খরচ করলে মাসে খরচ হবে প্রায় ২৭ হাজার টাকা।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ২০২৩ সালের অক্টোবরের হিসাবে বলা হয়েছে, চারজনের একটি পরিবারে খাবার তালিকায় মাছ-মাংস যোগ করলে মাসে খরচ হবে ২২ হাজার ৪২১ টাকা।

যদি কোনো পরিবার মাছ-মাংস যোগ না করেন তাতে মাসিক খরচ দাঁড়ায় ৯ হাজার ৫৯ টাকা। গত দেড় বছরে পণ্যের মূল্য গড়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে।

সে হিসাবে মাছ, মাংস ছাড়া বর্তমানে খরচ দাঁড়ানোর কথা সাড়ে ১০ হাজার এবং মাছ-মাংসসহ ২৫ হাজার ৭৮৪ টাকা।

কিন্তু রজমানে খাবারের তালিকায় কিছু পরিবর্তন হওয়ার কারণে প্রতিবছরই খাবারের খরচ এই মাসে বাড়ে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন কালবেলাকে বলেন, পণ্য গত বছরের চেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে, এটা সত্য।

কিন্তু পণ্য বেশি আমদানি হলেই তো হবে না, যদি সারা দেশে সঠিকভাবে সেটি ডিস্ট্রিবিউশন করা না যায়। রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে বর্তমানে আমাদের সাপ্লাই চেনে বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে।

পণ্য আমদানি করে যদি মানুষের কাছে সেটি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা না যায় তাহলে সিন্ডিকেট তৈরি হবে এবং পণ্যের দামে নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব হবে না।

বিএম/জ/রা