আন্তর্জাতিক ডেস্ক
থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন ৫৮ বছর বয়সী অনুতিন চার্নভিরাকুল। তিনি দেশটির ডানপন্থী একজন ধনকুবের ও সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়াও তিনি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। আজ শুক্রবার পার্লামেন্টে ভোটাভুটির মাধ্যমে জয় পান তিনি।
চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ৪৯২ জন আইনপ্রণেতার মধ্যে ৩১১ জনের ভোট পান নির্মাণ খাতের এই বড় ব্যবসায়ী ও ভুমজয়থাই পার্টির নেতা অনুতিন। রক্ষণশীল বিরোধী দলটি পার্লামেন্টের তৃতীয় বৃহত্তম দল।
পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার চালাদ খামচুয়াং বলেন, ‘পার্লামেন্ট অনুতিন চার্নভিরাকুলকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে।’

৫৮ বছর বয়সী অনুতিন থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পান পর্যটননির্ভর দেশটিতে ২০২২ সালে গাঁজার বৈধতা দিয়ে।
কোভিড-১৯ মোকাবিলার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অনুতিন পশ্চিমা দেশগুলোকে ভাইরাস ছড়ানোর জন্য দোষারোপ করেছিলেন এবং পরে সমালোচনার মুখে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন।
প্রসঙ্গত, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে গত জুনে বরখাস্ত হওয়া পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুন সেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। আদালতের রায়ে বলা হয়, ওই ফোনকলে নৈতিকতা লঙ্ঘন করেছেন পেতংতার্ন।
সেই ফোনকলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা থাইল্যান্ডের সামরিক কমান্ডারদের সমালোচনাও করেছিলেন। পরে যদিও আত্মপক্ষ সমর্থন করে পেতংতার্ন বলেছিলেন, ওই ফোনকলের মাধ্যমে কূটনৈতিক সাফল্য পেতে চাইছিলেন তিনি।



