ডেস্ক রিপোর্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্পের শিক্ষা সচিব হিসেবে লিন্ডা ম্যাকম্যাহনকে মনোনীত করেছেন। মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষা খাতকে পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
লিন্ডা ম্যাকম্যাহন, একজন প্রভাবশালী রিপাবলিকান দাতা এবং প্রাক্তন প্রো-রেসলিং এক্সিকিউটিভ, ২০১৭ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০১৯ সালে তিনি পদত্যাগ করে “আমেরিকা ফার্স্ট অ্যাকশন” নামে ট্রাম্প-সমর্থিত সুপার প্যাকের চেয়ার হন। বর্তমানে তিনি “আমেরিকা ফার্স্ট পলিসি ইনস্টিটিউট”-এর বোর্ড চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ট্রাম্পের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শিক্ষাখাতের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবর্তে রাজ্য সরকারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেছেন, “লিন্ডা তার শিক্ষা ও ব্যবসার গভীর অভিজ্ঞতা দিয়ে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ক্ষমতায়ন করবেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বে শিক্ষার ক্ষেত্রে শীর্ষে নিয়ে যাবেন।”
শিক্ষা বিভাগ বিলুপ্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের প্রচারণার পরিপ্রেক্ষিতে ম্যাকম্যাহনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। যদিও পুরো বিভাগ বিলুপ্ত করা কঠিন, তবে অনেক প্রোগ্রামকে অন্য ফেডারেল এজেন্সিতে স্থানান্তর করা হতে পারে। এছাড়াও, এলজিবিটিকিউ+ শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত বাইডেন প্রশাসনের নিয়ম বাতিল করার প্রচেষ্টা হতে পারে।
উল্লেখ্য, ম্যাকম্যাহন প্রাক্তন ডব্লিউডব্লিউই সিইও ছিলেন, যেখানে তিনি তার স্বামী ভিন্স ম্যাকম্যাহনের সাথে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি ছোট রেসলিং কোম্পানি থেকে বিশ্বব্যাপী একটি বড় মিডিয়া সাম্রাজ্যে রূপান্তর করেন। তবে রাজনীতিতে তার প্রচেষ্টা সফল হয়নি; ২০১০ ও ২০১২ সালে সেনেটের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন।
লিন্ডা ম্যাকম্যাহনের এই মনোনয়ন ট্রাম্প প্রশাসনের শিক্ষানীতি ও তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশ করে।



