― Advertisement ―

এবার ঢামেকে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত

বরিশাল মেইল ডেস্কঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) একাডেমিক কাউন্সিলে এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ক্যাম্পাস ও হলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ তদন্ত...

খাবার খাওয়ার আগে বিষয়গুলো জেনে রাখুন

ডেস্ক রিপোর্ট: আজকাল প্রায় সবাই স্বাস্থ্য সচেতন। কোনোভাবেই স্বাস্থ্য বাড়াতে চান না। এতে অবশ্য যেমন চলতে-ফিরতে সমস্যা হয়, একইভাবে আবার স্বাস্থ্যজনিত নানা ধরনের অসুখ সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। এরপরও অনেকেরই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্বাস্থ্য বেড়ে যায়। এ অবস্থায় নানা চেষ্টা করা হয় ওজন কমানোর জন্য।

স্বাস্থ্য কমাতে নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানোসহ কত শত উপায় অবলম্বন করা হয়। কিন্তু এসবই বিফলে যায়, যখন খাবার টেবিলে বসে অনিয়ন্ত্রিত খাবার খাওয়া হয়। এ জন্য খাবার খাওয়ার আগেই সচেতন থাকার কথা বলা হয়। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। এবার তাহলে খাবার খাওয়ার আগের বিষয়গুলো জেনে নেয়া যাক।

খাবার বাদ না দেয়া: অনেকে টানা দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকেন। যা মোটেও ঠিক নয়। তারা মনে করেন দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে স্বাস্থ্য বাড়বে না। এটি ভুল ধারণা। এতে পরে তীব্র ক্ষুধা সৃষ্টি হয় এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হয়। যা থেকে স্বাস্থ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে। এ জন্য কিছুক্ষণ পরপর হালকা নাশতা করতে পারেন।

মানসিক চাপ কমানো: দ্য ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিনের ২০১৪ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিক চাপ ওজন বাড়াতে এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ায় ভূমিকা পালন করে। মানসিক চাপ শরীরকে হারানো শক্তি পুনরায় পূরণ করতে সহযোগিতা করার জন্য হরমোনের মাত্রাকে উৎসাহিত করে। আর মানসিক চাপ দীর্ঘস্থায়ী হলে খাবারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া, ওজন বৃদ্ধি এবং ক্ষুধাভাবও বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে। এ জন্য মানসিক চাপ কমাতে হবে এবং প্রয়োজনে শারীরিক ব্যায়াম ও যোগব্যায়াম করতে পারেন।

সকালের নাশতা করা: ব্রিটিশ জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা সকালে বেশি ফ্যাট, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খেয়েছেন, তারা যারা পরে ভারি খাবার খেয়েছেন তাদের তুলনায় পরিপূর্ণ ঠিক ছিলেন। এছাড়া অনেকে বলেছেন, সকালে খাবার খাওয়া একটি পূর্ণ নাশতা।

চার-পাঁচ ঘণ্টা পরপর খাবার খাওয়া: অনেকেই প্রকৃত ক্ষুধা উপলব্ধি করতে অক্ষম। এ জন্য ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খাওয়ার চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর ফের ভারি ক্ষুধা অনুভব হয়। তখন খাবার খাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময়। কিন্তু এ সময় খাবার না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ঘন ঘন বা কিছুক্ষণ পরপর হালকা হলেও খাবার খাওয়া উচিত। যা আপনার রক্তে শর্করা এবং শক্তির মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে।