― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে গুলি: সেই তিন শুটার গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে

চট্টগ্রামে এক দুর্ধর্ষ অভিযানে সাব-মেশিনগান (SMG), পিস্তল ও রিভলবারসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা কুখ্যাত সন্ত্রাসী ‘বড় সাজ্জাদ’-এর সক্রিয় সহযোগী হিসেবে পরিচিত। পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নগরের চন্দনপুরা এলাকায় স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বাসায় এক কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে যে গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল, তাতে এই অস্ত্রগুলোই ব্যবহৃত হয়েছে। উদ্ধার হওয়া পিস্তল ও রিভলবারটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ওরফে ইমন, মোহাম্মদ মনির ও মোহাম্মদ সায়েম। মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৬) দিনভর নগরের বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, আব্দুল কাইয়ুম ২০০০ সালের বহদ্দারহাটে চাঞ্চল্যকর আট হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। তাঁর হেফাজত থেকেই লুট হওয়া রিভলবার ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

তদন্তে বেরিয়ে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। উদ্ধার হওয়া এসএমজিটি (SMG) খাগড়াছড়ির একটি পাহাড়ি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী থেকে কেনা হয়েছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে, তাঁরা সাজ্জাদের নির্দেশে চট্টগ্রামে খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি এবং বালুমহাল দখলের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সশস্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন। এমনকি আব্দুল কাইয়ুমের মোবাইল থেকে সাজ্জাদ গ্রুপের নতুন সদস্যদের ‘শপথ গ্রহণ’-সংক্রান্ত একটি ভিডিও ক্লিপও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ কর্মকর্তা ওয়াহিদুল হক চৌধুরী আরও জানান, গ্রেপ্তার মনির ও সায়েমের বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে অন্তত ১০টি করে মামলা রয়েছে। সাজ্জাদ বিদেশে বসে এসব সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে চট্টগ্রামে তাঁর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম রাখার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রগুলোর ব্যালিস্টিক পরীক্ষা সম্পন্ন হলে ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় হামলার চূড়ান্ত প্রমাণ মিলবে বলে আশা করছে পুলিশ। এই অভিযানের ফলে চট্টগ্রামে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা নস্যাৎ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।