― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

আসন সমঝোতা কাগজে, মাঠে মুখোমুখি জামায়াত ও এনসিপি!

চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমীকরণ এক রহস্যময় মোড় নিয়েছে। আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা থাকলেও ভোটের মাঠে পূর্ণ উদ্যমে প্রচার চালাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু নাছের। শুধু প্রচারণাই নয়, সোমবার তিনি বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নিজের ১১ দফা নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা করেছেন। যেখানে কালুরঘাট সেতুর দ্রুত বাস্তবায়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং আইটি ভিলেজ প্রতিষ্ঠার মতো প্রতিশ্রুতি স্থান পেয়েছে। জোটের প্রার্থী জুবাইরুল হাসান আরিফ মাঠে থাকলেও আবু নাছেরের এই সক্রিয়তা ভোটার ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।

শহীদ পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে আবু নাছের দাবি করেন, এলাকার ভৌগোলিক ও জনসংখ্যাগত গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি এই কর্মসূচি দিয়েছেন। মজার ব্যাপার হলো, প্রতীক বরাদ্দের দিনে জামায়াতের পক্ষ থেকে তাকে বসিয়ে দেওয়ার কথা বলা হলেও আইনিভাবে তিনি এখনো ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের বৈধ প্রার্থী। ফলে চান্দগাঁও ও বোয়ালখালীর অলিগলিতে এখন এনসিপির প্রার্থীর পাশাপাশি জামায়াত প্রার্থীর ব্যানার-বিলবোর্ডও শোভা পাচ্ছে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে বলা হচ্ছে, সমঝোতা অনুযায়ী আসনটি এনসিপিকেই দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মাঠের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আবু নাছের পুনরায় নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করে গণসংযোগে নেমেছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বলছেন, শুরুতে তিনি সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও পরে হঠাৎ করেই তাঁর এই প্রত্যাবর্তন নির্বাচনী ঐক্যের ফাটল নাকি কৌশল—তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠছে।