নিজস্ব প্রতিবেদক :
খুলনার দৌলতপুরে কুয়েট ক্যাম্পাসে রামদা হাতে আলোচনায় এসে যুবদল নেতা মাহবুবুর রহমান মোল্লা তার নিজ বাড়ির সামনে দুবৃত্তের গুলিতে নিহত হয়েছেন। এ সময় তার পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়।
কুয়েট ক্যাম্পাসে রামদা হাতে সংঘর্ষে জড়ানোর ঘটনায় আলোচনায় এসে তিনি পরে দল থেকে বহিষ্কার হন। বহিষ্কারের আগে তিনি দৌলতপুর থানা যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। মাহবুবুর রহমান মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. আব্দুল করিম মোল্লার ছেলে।

জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (১১ জুলাই) জুমার নামাজ চলাকালিন সময় বেলা দেড়টার দিকে নগরীর মহেশ্বরপাশা পশ্চিমপাড়ায় নিজ বাড়ির সামনে তিনি খুন হন। তিনি ওই সময় প্রাইভেটকার পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা তিন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে নয়টি গুলি ছোড়ে এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়।
এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বিএনপির নেতাকর্মীরা খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ জানায়, মাহবুবের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে এবং এলাকাটি চরমপন্থি ও সন্ত্রাসীদের জন্য পরিচিত।
স্থানীয়রা বলছেন, মাহবুব একসময় দলের জন্য নিবেদিত থাকলেও পরবর্তী সময়ে এলাকায় আধিপত্য, মাদক ব্যবসা ও জমি সিন্ডিকেটে জড়িয়ে পড়েন।
এদিকে বিএনপির নেতারা বলছেন, আগের হত্যাগুলোর বিচার হলে মাহবুবকে হয়তো খুন হতে হতো না। তারা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও পুলিশ প্রশাসনে পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে।



