নিজস্ব প্রতিবেদক
দণ্ডবিধিতে (পেনাল কোড) বাংলাদেশে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ বর্তমানে ৩০ বছর। ১৮৬০ সালের দন্ডবিধি অনুযায়ী এ বিধি বলবৎ রয়েছে। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সাজার এই মেয়াদ কমিয়ে আনতে চাইছে। কিন্তু কেন?
দন্ড কমানোর কারণ হিসেবে বেশকিছু যুক্তি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। গতকাল রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে উপদেষ্টা সাংবাদিকদের এর কারণ জানান।
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কারাগারে থাকা বেশি বয়স্ক বন্দীরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের চিকিৎসা ও ওষুধের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। মূলত এ কারণেই সরকার এমন চিন্তাভাবনা করছে।
তাই কারাগারে থাকা বেশি বয়স্ক বন্দীদের মুক্তির কথা বিবেচনা করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ কমানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
নতুন এই বিধান চালুর ক্ষেত্রে বয়স বিবেচনায় নারীদের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ হতে পারে ২০ বছর। পুরুষদের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ আরেকটু বেশি হবে।
তবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের এই বিধান নির্ভর করবে সাজার সময়কালে আসামির বয়সের ওপর। এ ছাড়াও এতে কিছু শর্ত যুক্ত থাকবে। বলেন উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরো বলেন, ১৮৬০ সালের পেনাল কোড অনুযায়ী বাংলাদেশে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ বর্তমানে ৩০ বছর। কারাবন্দিদের ক্ষেত্রে এই দণ্ড কিছুটা কমিয়ে আনার কথা ভাবছে সরকার।



