বিশেষ প্রতিনিধি: বরিশালে ভোজ্যতেল ফসলের আবাদ সম্প্রসারণ এবং উৎপাদন বৃদ্ধি বিষয়ক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিনভর নগরের ফিশারি সড়কের মৎসবীজ উৎপাদন খামারের সম্মেলন কক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন ডিএইর মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলম।
তিনি বলেন, দেশে ভোজ্যতেলের ঘাটতির কারনে প্রতি বছর দেশে প্রতিবছর ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে ভোজ্যতেল আমদানিতে।
তাই সরকারের লক্ষ্য হলো ভোজ্যতেলের আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে ভোজ্য তেলের আবাদ বাড়ানো। এজন্য শস্যবিন্যাসে তেলফসল অন্তর্ভূক্তিকরণ দরকার।
এর মাধ্যমে শস্যনিবিড়তা বৃদ্ধি পাবে। একইভাবে ভোজ্যতেলের যোগানও বাড়বে আশানুরুপ। এক্ষেত্রে এই প্রকল্প অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএই বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ খয়ের উদ্দিন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক মূল বক্তা ছিলেন তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।
কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই বরিশালের উপপরিচালক মো. মুরাদুল হাসান, পটুয়াখালীর উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, গোপালগঞ্জের উপপরিচালক আ. কাদের সরদার, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ এস এম ইকবাল হোসেন, বরিশালের জেলা বৃষি বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোসাম্মৎ মরিয়ম, সহকারী আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন তালুকদার, পটুয়াখালীর অতিরিক্ত উপপরিচালক এইচ এম শামীম, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছয়েমা খাতুন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলা এবং ফরিদপুর অঞ্চলের সবগুলো ও উপজেলা কৃষি কর্মর্কতা, ইউিনিয়ন র্পযায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং কৃষকেরা অংশ নেন।
বিএম/জ/রা



