― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

ঈদে মহাসড়কে ৭ দিন ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধের নির্দেশ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপন উপলক্ষে দেশের মহাসড়কগুলোতে ঘরমুখী সাধারণ মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও পুরোপুরি নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে এক বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। ঈদ উৎসবের আগের ৩ দিন এবং পরবর্তী ৩ দিন অর্থাৎ আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মহাসড়কে সব ধরনের সাধারণ ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও ভারী লরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম সমিতির অন্তর্ভুক্ত দেশব্যাপী সব আঞ্চলিক ও জেলাভিত্তিক পণ্যবাহী পরিবহন মালিক সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের কাছে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এই কঠোর সাংগঠনিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে জানানো হয়, ঈদযাত্রায় যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি কমাতে এবং যানজট নিরসনে গত ১১ মে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী, রেলমন্ত্রী এবং নৌপরিবহন মন্ত্রীর যৌথ সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহাসড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। একই সাথে ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়ক কিংবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দুই পাশে যেকোনো ধরনের যানবাহন পার্কিং করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়াতে পশুবাহী যানবাহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য, পচনশীল পণ্য, তৈরি পোশাক (গার্মেন্টস) সামগ্রী, কৃষিকাজের সার এবং জরুরি জ্বালানি বহনকারী বিশেষ যানবাহনসমূহ এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

নির্দেশনাটিতে ঈদুল আজহার কোরবানির পশু পরিবহন এবং ঈদ-পরবর্তী ফিরতি যাতায়াতের বিষয়ে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়, কোরবানির পশুবাহী ট্রাকে কিংবা বিশেষ করে কোরবানির পশু নামিয়ে দিয়ে ফিরে যাওয়ার সময় (ফিরতি যানবাহন) কোনো অবস্থাতেই ছাদ বা পণ্যবাহী খোলামেলা অংশে যাত্রী বহন করা যাবে না। প্রতি বছরই ঈদযাত্রায় পণ্যবাহী ট্রাকে যাত্রী যাতায়াতের কারণে বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটে থাকে। এই প্রাণঘাতী প্রবণতা রুখতেই এবার পরিবহন মালিকদের পক্ষ থেকে নিজস্ব উদ্যোগে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সার্বিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলম দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শাখা কমিটিকে এই নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আপনাদের নিজ নিজ সমিতিভুক্ত কোনো ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা লরি যেন আগামী ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মহাসড়কে চলাচল না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।” নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পণ্যবাহী ফিরতি গাড়িতে কোনো চালক বা সহকারী যাত্রী পরিবহন করলে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি মালিক সমিতির পক্ষ থেকেও তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।