― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

আরপিও সংশোধন চায় এইচআরপিবি

দখল-দূষণকারীদের নির্বাচনে যাকে অংশ নিতে না পারে এর জন্য আরপিও সংশোধন চায় হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ(এইচআরপিবি)। সংগঠনটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন,গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে একটা বিধান এখানে সংযোজন করা দূষণ এবং দখলকারী যারা হবে তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনও(ইসি) একমত প্রকাশ করেছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (০৫ মার্চ) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন পুরো কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান তিনি।

অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, আমরা দির্ঘদিন আইনি লড়াই করছি। একটি লড়াইয়ে আপীল বিভাগ মতামত দেয় যে নদী দখল ও দুষনকারী থাকবে তারা নির্বাচনে অযোগ্য হবে। কিন্তু এটা আইনে নাই। সামনে যেহেতু একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আছে। ফলে গনপ্রতিনিধিত্ব আইনে যদি কোন বিধান যদি সংযুক্ত না থাকে, যে কে কে অযোগ্য হবে তাহলে নির্বাচন কমিশন তাকে অযোগ্য ঘোষনা করতে পারে না। সেজন্য আমরা এসেছি ও একটি আবেদন দিয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি এই যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ এটাকে সংশোধন করতে করে একটি বিধান এখানে সংযোজন করা যে যারা নদী দুষন ও দখলকারী হিসেবে অভিযুক্ত হবে তারা নির্বাচনের অযোগ্য হবে। এবং নদী দুষন ও দখলকারী কারা এই ব্যপারে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ইতোমধেই প্রতিবেদন তৈরি করেছে যা রাষ্ট্রপতির কাছে দেওয়া হয়েছে। তাদের ওয়েবসাইটেও আছে। কয়েক হাজার নদী দুষনকারী বাংলাদেশে আছে। তালিকায় প্রায় ৫৪০০০ দখলকারীর নাম আছে। তাই যদি এই অযোগ্যতাটা নির্ধারন করা হয় আইনের মাধ্যমে তাহলে আমরা মনেকরি নদী দুষন ও দখল অনেক কমে যাবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচনমুখী। একটু টাকা পয়সা হলেই তারা আসেন নির্বাচন করতে। এজন্যই আবেদনটা জানিয়েছি যে এই বিধানটা করলে, যারা নির্বাচন করতে চায় তারা নদী দুষন ও দখল করা থেকে বিরত থাকবে। ফলে আমাদের দেশের পরিবেশের উন্নতি হবে আমরা উপকৃত হব।

কমিশন আমাদের দাবির সাথে পুরোপুরি একমত পোষন করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারাও মনে করেন এটা অবশ্যই পরিবেশের জন্য ভাল হবে। যেহেতু এটা একটি আইনের সংশোধনের প্রয়োজন আছে, তাই কমিশন বলেছে এই সংশোধন তোঁ হঠাৎ করেই করা যায় না, এটা একটা দির্ঘ প্রক্রিয়া। এবং সেটি সরকারে কাছে দিতে হবে। আইনটির বিষয়ে ওনারাও আমাদের সহযোগীতা চেয়েছেন। সেইভাবে একটি ড্রাফ তৈরি করে সরকারের কাছে প্রেরন করা।

বিএম/জ/রা