― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

সক্রিয় সার সিন্টিকেট, কৃষকের ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
চলছে আমনের ভরা মৌসুম। এই মৌসুমের সুফল ঘরে তুলতে কৃষকের প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণে সার। অথচ সার পেতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন কৃষকেরা।

বিশেষ করে, ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট বা ডিএপি এবং ইউরিয়া সারের জন্য ডিলার পয়েন্ট ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ঘুরেও শূন্য হাতে ফেরার অভিযোগ করেছেন অনেক কৃষক।

তাদের দাবি, আমনের ভরা মৌসুমে ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি সারের ঘাটতি চরম আকার ধারণ করেছে। দোকানে দোকানে ঘুরেও চাহিদা অনুযায়ী সার মিলছে না।

সার নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার কৃষকদের এমন অভিযোগ থাকলেও, কোনো সংকট নেই বলে দাবি কৃষি মন্ত্রণালয়ের।

ফরিদপুরের কৃষক মো. আকুর মণ্ডল জানান, বস্তাপ্রতি পাঁচশ-ছয়শ টাকা বেশি দিয়ে সার কিনেছেন তিনি। বেশি টাকা দিয়ে সার কেনার অভিযোগ করেছেন ঝালকাঠির কৃষক আব্দুল হক।

এমনকি ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধেও সিন্ডিকেট করে সারের দাম বাড়ানোর অভিযোগ তুলছেন কেউ কেউ।

খোঁজি নিয়ে জানা যায়, মূলত বাংলাদেশে সারের মোট চাহিদার বেশিরভাগই আমদানি নির্ভর। দেশের কারখানাগুলোয় উৎপাদিত কিছু ইউরিয়া সার ব্যতিত প্রায় সবই আমদানি করতে হয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দেশে রাসায়নিক সারের চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ টন। মোট চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশই আমদানি নির্ভর।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সল ইমাম বলেন, প্রতিটি এলাকায় চাহিদার ভিত্তিতে অনেক আগে থেকেই সার সরবরাহ নিশ্চিত করা থাকে।

তিনি বলেন, “আমাদের সারের কোনো সংকট নাই। সাপ্লাই চেইন স্বাভাবিক ভাবেই অব্যাহত আছে”।

তিনি দাবি করেন, কেবল সার নয়, কৃষি উপকরণ নিয়ে যেসব অসাধু চক্র সিন্ডিকেট করার চেষ্টা করছে, সবসময়ই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মন্ত্রণালয় কাজ করছে।