আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
শত্রু রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করার শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নতুন আইন পাস করেছে ইরানের পার্লামেন্ট। বিশেষ করে ইসরায়েল ও আমেরিকার এই দুইটি দেশের দিকে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্টারলিংকের মতো অননুমোদিত ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহারের অপরাধীকেও শাস্তিযোগ্য বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
ওই আইনে বলা হয়েছে, “দেশের নিরাপত্তা বা জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা অন্য কোনো শত্রুরাষ্ট্র ও গোষ্ঠী বা তাদের এজেন্টদের হয়ে গোয়েন্দা বা কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা ‘মানবজাতির বিরুদ্ধে অপরাধের’ শামিল। এই অপরাধের শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।
এদিকে, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা আবার শুরু করতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে হামলার চিন্তা বাদ দিতে হবে বলে জানিয়েছে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানছি।
বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাজিদ তাখত-রাভানছি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে জানিয়েছে যে তারা আলোচনায় ফিরতে চায়। কিন্তু আলোচনা চলাকালে নতুন করে হামলার মতো খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র এখনো তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেনি।
গত ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের শেষের দিকে অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান পরমাণু স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ওই হামলায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয়।



