― Advertisement ―

কোটাবিরোধী আন্দোলন: সড়ক অবরোধ করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৯...

কাজ না করেই বিল তুলে নেয়ার অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে

পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নে এইজিইডি’র প্রায় আড়াই কিলোমিটার একটি রাস্তার কাজের ২ কোটি ৪২ লাখ টাকার বিল উঠিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে মো. শফিউর রহমান সুমন নামে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। তবে তিনি কোনো টাকা তোলেনি বলে জানান। একজন প্রভাবশালী টাকা ঢাকা থেকে উঠিয়ে নিয়েছেন। যে কারণে কাজ ফেলে রাখা হয়েছে। রাস্তার ওই কাজের ঠিকাদারি সদনদের নাম মেসার্স রূপালী কনস্ট্রাকশন। এ নিয়ে উপজেলার জনসাধারণের কাছে সমালোচিত হচ্ছেন তিনি।

জানা গেছে, ২০২০ সালে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর উপজেলার লক্ষণকাঠি থেকে জুলুহার বাজার ভায়া দুর্গাকাঠি সমুদয়কাঠি বাজার রাস্তার শেষ অংশের ব্রিজ-কালভার্টসহ বিসি দ্বারা উন্নয়নের কাজ পায় মেসার্স রূপালী কনস্ট্রাকশন। যে কাজের মূল্য ধরা হয়েছিল ২ কোটি ৪২ লাখ টাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তিনি এখানে এসে প্রথমে রাস্তার বেইজ কেটে বালু ফেলেন। তারপরে রাস্তাটির পুরানো লোহার পুলগুলো ভেঙে নিয়ে যান। এরপর তিনি আর রাস্তার কাজ করেননি। এই রাস্তায় রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, ও মাধ্যমিক স্কুল। বৃষ্টির দিনে রাস্তা দিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টের। এ ছাড়া রাস্তার পুলগুলো ভেঙে ফেলায় বর্ষা মৌসুমে সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে।

স্থানীয় নূরানী মাদ্রাসার হাফেজ মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, এই রাস্তাটি জুলুহার-লক্ষণকাঠি। রাস্তাটি দুই/আড়াই বছর ধরে বেহাল অবস্থায়। তিনটি গ্রামের ভরসা এই রাস্তায় বর্ষা মৌসুমে সাঁকো পার হতে গিয়ে দুর্ঘটনায় অনেকে স্কুলে আসতে পারেনি। শুনেছি তিনি কাজ না করে রাস্তাটি ফেলে রেখেছেন ও বিল উঠিয়ে নিয়েছেন। সমুদয়কাঠি ইউপি চেয়ারম্যান মো. হুমাউন কবির বলেন, শফিউর রাস্তার কাজ না করে এভাবে ফেলে রেখেছেন প্রায় দুই বছর। কাজের জন্য তাকে বার বার তাগিদ দিলেও কর্ণপাত করছেন না। এখন তার কোনো খোঁজ নেই। এ বিষয়ে শফিউরকে ফোন দিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তার কাজ নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে। একজন প্রভাবশালী কাজের বিল উঠিয়ে নিয়েছে। বিষয়টি সমাধান করে কাজ শুরু করা হবে। নেছারাবাদ উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাইসুল ইসলাম জানান, কাজটি মূলত করছেন শফিউর। কাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে অনেক আগেই। সম্ভবত তিনি মেয়াদ বাড়ালেও তাও প্রায় শেষ। কাজ করার জন্য একাধিকবার তাকে চিঠি দেয়া হয়েছে।