― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

ব্যবসায়ীদের পাশে সরকার; ছুটির দিনেও খোলা থাকছে বিএসটিআই ল্যাব

দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল করতে এবং ব্যবসায়ীদের বন্দরে ড্যামারেজ বা জরিমানা থেকে সুরক্ষা দিতে বিএসটিআই-এর সেবা কার্যক্রমে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) তেজগাঁওস্থ বিএসটিআই প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক গণশুনানিতে তিনি জানান, আমদানিকৃত পণ্যের দ্রুত খালাস নিশ্চিত করতে এখন থেকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বিএসটিআই-এর সংশ্লিষ্ট সেবাগুলো চালু থাকবে। সরকারের এই বিশেষ নির্দেশনার ফলে আমদানিকারকদের দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যার সমাধান হতে যাচ্ছে।

শিল্প সচিব তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, সরকারের কাজ সরাসরি ব্যবসা করা নয়, বরং ব্যবসায়ীদের জন্য সহায়ক নীতি ও পরিবেশ নিশ্চিত করা। তিনি বিএসটিআই কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যেন সিটিজেন চার্টারে নির্ধারিত সময়ের আগেই পণ্যের ছাড়পত্র প্রদান করা হয়। বন্দরে পণ্য আটকে থাকার ফলে যে অতিরিক্ত খরচ বা ড্যামারেজ গুনতে হয়, তা কমিয়ে আনতে সরকারি এই সংস্থাকে আরও জনবান্ধব ও গতিশীল হওয়ার তাগিদ দেন তিনি। সচিবের মতে, ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধান মানেই দেশের অর্থনীতির চাকাকে আরও বেগবান করা।

গণশুনানিতে বিএসটিআই-এর মহাপরিচালক এম এ কামাল বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রাণ-আরএফএল, স্কয়ার, সিটি গ্রুপ, ওয়ালটন ও এসিআই-এর মতো বড় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে পণ্যের মান প্রণয়ন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং এসআরও (SRO) প্রকাশের সময়সীমা কমানোর দাবি জানানো হয়। বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ এসকল দাবি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করে।

আলোচনায় নকল পণ্য উৎপাদনকারী অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং বাজার তদারকি বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে লাইভ বেকারিগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো এবং ফুড গ্রেড কালারের মান যাচাইয়ে বিএসটিআই ল্যাবরেটরির যথাযথ ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়। ব্যবসায়ীদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে মহাপরিচালক বলেন, সেবাগ্রহীতাদের যেকোনো অসুবিধায় বিএসটিআই জবাবদিহি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই গণশুনানি মূলত সরকারি দপ্তরের সাথে শিল্প উদ্যোক্তাদের দূরত্ব কমিয়ে আনার একটি প্রয়াস।