― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

পেট্রোল পাম্পে নিরাপত্তা ও আতঙ্ক বন্ধের দাবি মালিকদের; গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান

জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটের গুজবে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল না কিনতে দেশবাসীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মগবাজারে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সরকার তেলের যৌক্তিক রেশনিং পদ্ধতি চালু করেছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্যের কারণে অনেক জায়গায় পাম্পে হামলা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে, যা সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

সংগঠনের নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত পাম্পগুলোতে কর্মীরা নিরলস কাজ করলেও অনেক স্থানে তাঁরা লাঞ্ছনা ও হামলার শিকার হচ্ছেন। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে পাম্পের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল বিক্রির সময়সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। মালিকদের দাবি, পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশি পাহারা নিশ্চিত করা না হলে স্বাভাবিক সেবা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করে সম্মেলনে জানানো হয়, দেশে বর্তমানে তেলের কোনো দীর্ঘমেয়াদী ঘাটতি নেই। বর্তমানে যে মজুত রয়েছে, তা দিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব। তবে সাধারণ মানুষ যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার প্রতিযোগিতায় নামে, তবে সরবরাহ চেইনে বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। তাই ট্যাঙ্ক পূর্ণ করার অশুভ প্রতিযোগিতা বন্ধ করে কেবল জরুরি প্রয়োজনে তেল নেওয়ার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের অনেক পাম্পে তেলের দাবিতে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা বাড়ছে। পাম্প মালিকদের ওপর একতরফা দোষারোপ না করে সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানান সংগঠনটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল। তিনি স্পষ্ট করেন যে, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনগণকে রেশনিং পদ্ধতি মেনে চলতে হবে। অতিরিক্ত সংগ্রহের কারণে যেন জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহনগুলো তেল থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা এখন নাগরিক দায়িত্ব।