― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

বাংলাদেশের বন্দর ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড

বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (০৮ মার্চ ২০২৬) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি। এই বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, বিশেষ করে বাংলাদেশের অবকাঠামো এবং বন্দর ব্যবস্থাপনায় সুইজারল্যান্ডের কারিগরি ও বিনিয়োগ সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। নবগঠিত সরকারের প্রতি রাষ্ট্রদূতের অভিনন্দন বার্তা দুই দেশের মধ্যকার আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি বৈঠকে বর্তমান সরকারের প্রতি সুইজারল্যান্ডের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা, আধুনিক প্রযুক্তি খাত এবং বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোতে সুইজারল্যান্ড অংশীদার হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী। রাষ্ট্রদূত আশ্বাস দেন যে, বাংলাদেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং কারিগরি জ্ঞান বিনিময়ে সুইজারল্যান্ড সবসময় পাশে থাকবে। দীর্ঘদিনের এই সম্পর্ককে কেবল কূটনীতিতে সীমাবদ্ধ না রেখে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে রূপান্তর করাই তাঁর সফরের অন্যতম লক্ষ্য।

জবাবে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ দ্রুতগতির অবকাঠামো উন্নয়নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে সুইজারল্যান্ডের মতো উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন দেশের সহযোগিতা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নকে আরও গতিশীল করবে। বিশেষ করে প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের বন্দর ও পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ যে স্মার্ট অবকাঠামো গড়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, সেখানে সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগ কেবল উন্নয়নকেই ত্বরান্বিত করবে না, বরং দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থানকেও শক্তিশালী করবে। পারস্পরিক যোগাযোগ ও নিয়মিত সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্ব আগামী দিনে আরও সুসংহত হবে বলে দুই প্রতিনিধিই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।