― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

সংসদীয় রাজনীতিতে নতুন হাওয়া; বিরোধীদলকে ডেপুটি স্পিকার পদের প্রস্তাব

বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে অংশগ্রহণমূলক সংসদ নিশ্চিত করতে বিরোধীদলকে ডেপুটি স্পিকারের পদ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বর্তমান সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আজ সোমবার স্পষ্ট করেছেন যে, ‘জুলাই ন্যাশনাল চার্টার’-এর চেতনাকে সম্মান জানিয়েই এই ‘গুডউইল জেসচার’ বা সৌজন্যমূলক প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপকে দেশের ভঙ্গুর রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি ইতিবাচক মোড় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নতুন সংসদে দুজন ডেপুটি স্পিকার রাখার বিষয়ে ঐক্যমত্য হয়েছে। এর মধ্যে একটি পদ বিরোধীদলের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তিনি বলেন, “আমরা রাজনৈতিক সমঝোতার যে চার্টার তৈরি করেছি, তার বাস্তবায়ন শুরু করতে চাই। স্পিকার নির্বাচনের দিনই হয়তো এই ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।” এই প্রস্তাবের মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রমে বিরোধীদলের অংশগ্রহণ আরও অর্থবহ হবে বলে সরকার আশা করছে।

সংসদে রাষ্ট্রপতির উদ্বোধনী ভাষণ নিয়ে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতা বা রিট পিটিশন প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংবিধান ও দীর্ঘদিনের সংসদীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া একটি আবশ্যিক রীতি। সংবিধান সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত এই প্রথা বজায় থাকবে। এছাড়া সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে চলমান বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া ব্যক্তিরাই কেবল সংসদের কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন; এর বাইরে কোনো কাউন্সিলের সাংবিধানিক স্বীকৃতি এই মুহূর্তে নেই।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, সংবিধান অনুযায়ী অধিবেশনের প্রথম দিনেই এই সব অধ্যাদেশ সংসদে পেশ করা হবে। সংসদীয় বিতর্কের মাধ্যমেই ঠিক হবে কোন অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত হবে আর কোনগুলো বাতিল হবে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে সরকার।