আহমেদাবাদের ২২ গজে আজ লড়াইটা ছিল ভারতের পেস বোলিং বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার পাওয়ার হিটিংয়ের। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরুতেই জসপ্রিত বুমরাহ’র বিধ্বংসী বোলিংয়ের মুখে পড়ে প্রোটিয়ারা। মাত্র ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে যখন দক্ষিণ আফ্রিকা বিপর্যয়ে, তখন দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ ডেভিড মিলার এবং তরুণ তুর্কি ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। তাঁদের ব্যাটিং দৃঢ়তা এবং শেষ দিকে ট্রিস্টান স্টাবসের বিধ্বংসী ক্যামিওতে ভর করে শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ১৮৭ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে সফরকারীরা।
ইনিংসের শুরুতেই কুইন্টন ডি কক ও রায়ান রিকেলটনকে ফিরিয়ে ভারতকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন বুমরাহ। মাঝে এইডেন মার্করামকে হারানোয় প্রোটিয়া শিবিরে তখন হারের আতঙ্ক। তবে ব্রেভিস ও মিলারের ৯৭ রানের অনবদ্য জুটি সেই চাপ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়। ব্রেভিস ফিফটি না পাওয়ার আক্ষেপে (৪৭) পুড়লেও মিলার ৩৫ বলে ৬৩ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন। সাতটি চার ও তিনটি ছক্কায় সাজানো মিলারের এই ইনিংসটিই দক্ষিণ আফ্রিকার ঘুরে দাঁড়ানোর মূল শক্তি জোগায়।
তবে ইনিংসের মোড় পুরোপুরি ঘুরে যায় শেষ দিকে ট্রিস্টান স্টাবসের ব্যাটে। মার্কো জানসেন ও করবিন বশ দ্রুত বিদায় নিলেও স্টাবস ছিলেন অবিচল। হার্দিক পান্ডিয়ার করা শেষ ওভারে ২০ রান তুলে নিয়ে তিনি প্রোটিয়াদের রানটাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ২৪ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে তিনটি ছক্কা ও একটি চারের মারে তিনি প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে বর্তমান সময়ের অন্যতম ভয়ংকর ফিনিশার ভাবা হয়। ভারতের পক্ষে বুমরাহ ৩ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার হলেও শেষ দিকের ঝড়ে ভারতের বোলারদের পরিকল্পনা কিছুটা এলোমেলো হয়ে যায়। ১৮৮ রানের লক্ষ্যে এখন ভারতকে লড়তে হবে তাদের চেনা মাঠে।



