― Advertisement ―

‘নিষ্প্রভ’ কেইনের কাঁধে সতীর্থদের আস্থার হাত

বুন্ডেসলিগায় গোলের পর গোল করে ইউরোতে খেলতে এসে নিজেকে যেন খুঁজে ফিরছেন হ্যারি কেইন। টুর্নামেন্টে এখনও দেখা যায়নি তার সেরা চেহারা। তবে এনিয়ে একদমই...

ডানা মেলছে বাংলাদেশের নারী ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট: এপ্রিলে শুরু হচ্ছে জমজমাট উইমেন’স বিপিএল

বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে ৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখটি এক স্বর্ণাক্ষরে লেখা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে নারী ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট বা ‘উইমেন’স বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ’ (ডব্লুবিপিএল)। রবিবার বিসিবির বোর্ড সভায় নেওয়া এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তটি দেশের নারী ক্রিকেটারদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের পথে বড় একটি ধাপ। আইপিএল বা বিগ ব্যাশের আদলে তৈরি এই আসরটি কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং এটি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের সক্ষমতা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার এক অনন্য মাধ্যম।

বিসিবির ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৪ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ১০ দিনের সংক্ষিপ্ত কিন্তু তুখোড় এক আসর বসতে যাচ্ছে। শুরুতে ৩ এপ্রিল উদ্বোধনের কথা থাকলেও বোর্ড সভায় তা একদিন পিছিয়ে ৪ এপ্রিল চূড়ান্ত করা হয়। আসরটি জাঁকজমকপূর্ণ করতে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রামের শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামকে ভেন্যু হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রথম আসরে অংশ নিচ্ছে তিনটি শক্তিশালী ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। খেলোয়াড় নির্বাচনে প্রথাগত ‘ড্রাফট’ পদ্ধতির চেয়ে রোমাঞ্চকর ‘নিলাম’ পদ্ধতির দিকেই বেশি ঝুঁকছে বিসিবি, যেখানে দেশের সেরা তারকাদের পাশাপাশি বিশ্বের নামী-দামী বিদেশি ক্রিকেটারদের পদচারণায় মুখরিত হবে মাঠ।

টুর্নামেন্টটি সফলভাবে পরিচালনার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে বিসিবি পরিচালক রুবাবা দৌলার ওপর। তাঁর নেতৃত্বাধীন ‘নারী বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল’ ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকানা থেকে শুরু করে নিলাম প্রক্রিয়া—সবই তদারকি করবে। বিসিবি আত্মবিশ্বাসী যে, এই ১০ দিনের আসরটি দেশের নারী ক্রিকেটের মান উন্নয়নে এবং নতুন প্রতিভাদের পাইপলাইন থেকে তুলে আনতে এক বিশেষ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। এটি কেবল মাঠের লড়াই নয়, বরং বাংলাদেশের অদম্য নারী শক্তির জয়গান হয়ে বিশ্ব ক্রিকেট মানচিত্রে জায়গা করে নেবে।