― Advertisement ―

পারভীন হত্যা: খুনি রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল হাই কোর্টে

চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত খুনি রসু খাঁর মৃতুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের...

চুরির অপবাদে মধ্যযুগীয় বর্বরতা: পা ভেঙে দিয়েও ক্ষান্ত হননি খামারি শাহীন

আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এক বীভৎস নজির দেখল শরীয়তপুর। ডামুড্যা উপজেলায় মাছ চুরির অপবাদ দিয়ে সেলিম পাইক (৩০) নামে এক যুবককে গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে পা দুই টুকরো করে দিয়েছেন মৎস্যখামারি শাহীন মাদবর ও তাঁর সহযোগীরা। কেবল শারীরিক নির্যাতনই নয়, হাত-পা বেঁধে সেই পৈশাচিক উল্লাসের ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, সেলিমকে খামারের মাঝখান থেকে টেনে হিঁচড়ে তীরে আনা হচ্ছে। এরপর হাত বেঁধে মাটিতে ফেলে তাঁর দুই পায়ে সজোরে আঘাত করছেন খোদ খামারের মালিক শাহীন মাদবর। যন্ত্রণায় সেলিমের আর্তচিৎকারে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠলেও মন গলেনি উপস্থিত দর্শকদের। বর্তমানে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছেন এই যুবক। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর ডান পায়ের হাড় ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গেছে, যা জোড়া লাগাতে বড় ধরনের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন।

খামারি শাহীন মাদবরের দাবি, সেলিম তাঁর কয়েক লাখ টাকার মাছ চুরি করেছেন এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর পাহারাদারদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। তবে সেলিম পাইক হাসপাতালের বিছানা থেকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “আমি মাছ চুরি করিনি, আমাকে চুরির অপবাদ দিয়ে ওরা শেষ করে দিয়েছে।” চুরির অভিযোগ থাকলেও কোনো নাগরিককে এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনা এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ডামুড্যা থানা পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং ভুক্তভোগী পরিবার মামলা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।