ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ৩২টি আসনে ভোট কারচুপির যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, কমিশন নিজ থেকে এখন আর কিছু করতে পারবে না; তবে যদি আদালত নির্দেশ দেয়, তবেই ভোট পুনর্গণনার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
রবিবার নির্বাচন কমিশনে জোটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন এই কমিশনার। ১১ দলীয় জোটের মূল অভিযোগ ছিল—কমিশন তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করেছে, যাতে কারচুপির প্রতিবাদ করার সুযোগ না থাকে। এর জবাবে ইসি আনোয়ারুল বলেন, গেজেট প্রকাশে কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়নি এবং সবকিছু আইনের মধ্যেই হয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিটি এখন ‘অপ্রাসঙ্গিক’, তবে সংক্ষুব্ধ যে কেউ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।
কমিশন এই নির্বাচনকে ‘প্রত্যাশার চেয়েও সফল’ বলে দাবি করলেও শেরপুর-৩ আসনের ভাগ্য এখনো ঝুলে আছে। ওই আসনের বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। আপাতত গেজেট প্রকাশের পর বল এখন আইন ও আদালতের কোর্টে। সংক্ষুব্ধ জোট যদি আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়ে আদালতের আদেশ নিয়ে আসতে পারে, তবেই ইসি নতুন করে কোনো পদক্ষেপ নেবে।



