― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

ইন্টারনেট ছাড়াই কাজ করবে ‘সুরক্ষা’ অ্যাপ; প্রযুক্তির সহায়তায় ভোট পাহারা দেবে আনসার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষায় আনসার সদস্যদের অকুতোভয় ও নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বাহিনীটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশাল প্রস্তুতিমূলক সমাবেশে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে সন্ত্রাসীদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা হুমকিতে পিছু হটা যাবে না। দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভোটাধিকারকে ‘আমানত’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সদস্যদের সতর্ক করে বলেন, কোনো অবস্থাতেই শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা যাবে না এবং পরিস্থিতি যাই হোক, ভোটকেন্দ্র ত্যাগ করা চলবে না।

নির্বাচনী নিরাপত্তায় এবার প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। মহাপরিচালক জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে প্রশিক্ষিত আনসার ও ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে দ্রুত জানানোর জন্য ‘সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহার করা হবে, যা ইন্টারনেট ছাড়াও কাজ করতে সক্ষম। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এবারের নির্বাচন আগের মতো নয়। দাঁড়িয়ে থেকে অন্যকে ব্যালটে সিল মারতে দেওয়া বা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কর্তব্যে অবহেলা করলে তার জন্য কঠোর জবাবদিহিতা করতে হবে।

আনসারের কাজ কেবল ব্যালট বাক্স বহন করা নয়, বরং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা। সদস্যদের জন্য নির্দিষ্ট ‘পকেট নোটবুক’ সরবরাহ করা হয়েছে, যেখানে তাঁদের দায়িত্ব ও সীমাবদ্ধতা স্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে। মহাপরিচালক আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে আনসার বাহিনী একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এই বিশাল বাহিনী এবার মাঠে নামছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশজুড়ে মোট ৫ লাখ ৫৬ হাজার ১২৭ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরেই থাকছেন ২৭ হাজার ৭০৩ জন। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলাকালীন এই সদস্যরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের সাথে প্রযুক্তিনির্ভর রিপোর্টিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সংযোগ বজায় রাখবেন।