দেশের টেক্সটাইল খাতের সংকটের রেশ এবার আছড়ে পড়ছে সোনালি আঁশ খ্যাত পাট শিল্পে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিটিএমএ-এর মিল বন্ধ রাখার ঘোষণার প্রেক্ষাপটে পাটকল মালিকরাও এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে ‘কৌশলগতভাবে’ মিল বন্ধ রাখার কথা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন। বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অস্বাভাবিক উৎপাদন ব্যয়, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ এবং রপ্তানি বাজার সংকুচিত হওয়ায় এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
বাংলাদেশ চারকোল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আতিকুর রহমান এক বিবৃতিতে জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে মিল চালু রাখা মানেই পুঁজি হারানো। তাই টেক্সটাইল খাতের মতো পাট শিল্পকেও বাঁচাতে সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখা একটি ‘আত্মঘাতী’ নয় বরং ‘বাস্তবসম্মত কৌশলগত’ পদক্ষেপ হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, ধারাবাহিক লোকসান রোধ এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের দ্রুত দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই এমন কঠোর সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তবে এই সময়ে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় বিশেষ সরকারি তহবিল গঠনেরও জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।



