― Advertisement ―

ভারতের সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে রেল কানেকটিভিটি বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তির প্রতিবাদে পুলিশের বাধা অতিক্রম করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে...

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির সুফল কুফল

দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো প্রস্তাব করেছে নবম জাতীয় বেতন কমিশন। এতে ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে, পাশাপাশি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে বেতন কমিশন তাদের প্রস্তাবনার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এ সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য বছরে বেতন-ভাতা বাবদ আরও ১ লাখ কোটি টাকার বেশি সরকারের ব্যয় হবে।

এদিকে, পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতে, বেতন বাড়ানোর পরই বাজারে দেখা যাবে সব পণ্যের দাম দেড়-দুইগুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। ফলে বেতন বৃদ্ধিতে তাদের তেমন লাভ হবে না। তাই বেতন বাড়ানোর চেয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ বেশি জরুরি বলে মনে করেন পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা।

বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হবে এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ পহেলা জুলাই থেকে এটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

সুপারিশে সরকারি কর্মচারীদের মোট গ্রেডের সংখ্যা আগের মতোই ২০টি থাকবে। সর্বনিম্ন স্তর অর্থাৎ ২০তম গ্রেডে মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

আর সর্বোচ্চ স্তর প্রথম গ্রেডে বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমান সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি পেনশনভোগীদেরও উল্লেখযোগ্য হারে পেনশন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এ ধরনের ব্যয়ের জন্য জনগণ ও অর্থনীতি প্রস্তুত কি না, তা যাচাই জরুরি। সরকারের রাজস্ব সক্ষমতা এবং এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিশ্লেষণ না করে পে স্কেল বাস্তবায়ন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, সংস্কারের মধ্য দিয়ে যাওয়া অর্থনীতি এখনো মজুরি বাড়ানোর মতো সক্ষমতায় পৌঁছায়নি। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান না বাড়লে বড় ধরনের বেতন বৃদ্ধি টেকসই হবে না।