― Advertisement ―

চিনকে উপেক্ষা করে ওয়াশিংটন-তাইপে ঐতিহাসিক চুক্তি

ওয়াশিংটন ও তাইপের মধ্যে ২৫০ বিলিয়ন ডলারের একটি ঐতিহাসিক বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে তাইওয়ানিজ পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে, যার বিনিময়ে তাইওয়ান আমেরিকার প্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গত ১৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত হওয়া এই সমঝোতা অনুযায়ী, তাইওয়ানিজ পণ্যে শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো অন্যান্য এশীয় সহযোগীদের সমান। এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই শুল্ক ৩২ শতাংশ করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, এই ‘অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব’ যুক্তরাষ্ট্রের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে।

অন্যদিকে,তাইওয়ান জানিয়েছে যে তাদের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), চিপ নির্মাণ এবং জ্বালানি খাতে এই বিশাল অর্থ বিনিয়োগ করবে। এই পদক্ষেপের অংশ হিসেবে টিএসএমসি তাদের মূলধনী ব্যয় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে চীন এই চুক্তিকে তাইওয়ানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক শোষণ’ হিসেবে অভিহিত করে নিন্দা জানিয়েছে।