― Advertisement ―

বৃহস্পতিবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত

বরিশাল মেইল ডেস্কঃআগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় সব শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার তারিখ পরে জানানো হবে।আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ...

অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র শিক্ষার্থীদের অবরোধ

প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র অধ্যাদেশ অবিলম্বে জারির দাবিতে আবারও রাজপথে নেমেছেন রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা বাড়ার সাথে সাথে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পয়েন্ট অবরোধ করেন তারা। শিক্ষার্থীদের এই আকস্মিক কর্মসূচিতে রাজধানীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট ও জনভোগান্তি।

আন্দোলনের মূলে যা আছে
বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি— আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’-এর হালনাগাদ খসড়াটি অনুমোদন করতে হবে। একইসাথে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির জোরালো দাবি জানান তারা।

আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বলেন, “আমাদের বারবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কিন্তু বাস্তবায়ন নেই। গত ডিসেম্বরে অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় কথা দিয়েছিল জানুয়ারির শুরুতেই অধ্যাদেশ জারি হবে। কিন্তু সেই আশ্বাসের প্রতিফলন না দেখে আমরা বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমেছি।”

উল্লেখ্য, সাত কলেজকে সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’-এর খসড়া প্রকাশ করে। পরবর্তীতে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে খসড়াটি পরিমার্জন করা হয়। গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে আন্দোলনের মুখে মন্ত্রণালয় দ্রুত পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনো তা চূড়ান্ত রূপ পায়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য
এদিকে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, অধ্যাদেশ অনুমোদনের প্রক্রিয়াটি উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, প্রশাসনিক দক্ষতা ও শিক্ষার্থীদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়েই অধ্যাদেশটি তৈরি করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি নেওয়া হবে। লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদে উত্থাপন করা হবে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হলেও শিক্ষার্থীরা বলছেন, দৃশ্যমান গেজেট বা অধ্যাদেশ না আসা পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব ও সংলগ্ন এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।